August 19, 2026, 11:42 pm
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক যশোরে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ৭ লাখ টাকা লোপাটের ঘটনায় চীনা নাগরিকসহ ২ জন আটক যশোরে ১১ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগে ১ জন আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির আগষ্ট মাসের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করছে : তথ্যমন্ত্রী চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুতের পর্যাপ্ত সরবরাহ নেই : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট গণনা বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার হবে : সিইসি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক কারামুক্ত রাজবাড়ীতে মোটর চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা চট্টগ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামীর কোদালের কোপে স্ত্রী নিহত
এইমাত্রপাওয়াঃ

বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ : সিআইআই

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ভারতের শীর্ষ শিল্প সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই) বলেছে, বাংলাদেশের নতুন সরকারের ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ কৌশল এবং ভারতের নিজস্ব উন্নয়ন অভিজ্ঞতার মধ্যে ঘনিষ্ঠ মিল রয়েছে। এতে দুই দেশের মধ্যে আরও গভীর অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

নয়াদিল্লিতে সিআইআই সদর দপ্তরে বাংলাদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন সংগঠনটির ভারতের খ্যাতনামা শিল্প ব্যক্তিত্ব পঙ্কজ ট্যান্ডন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বর্তমান পর্যায়টি অনেকখানি গুরুত্ব বহন করছে। এটি শুধু বিদ্যমান সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যান্ডন বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির মূল লক্ষ্য হলো অভ্যন্তরীণ সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, ডিজিটাল রূপান্তর এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।

তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এটি কোনো অভ্যন্তরীণমুখী নীতি নয়, বরং সুপরিকল্পিত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতা শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগও।

এই শিল্প ব্যক্তিত্ব জানান, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। অন্যদিকে এশিয়ায় এটি ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতাই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

বাজার সম্প্রসারণ, অ-শুল্ক বাধা কমানো এবং সীমান্ত অবকাঠামো উন্নত করা গেলে বাণিজ্য আরও বাড়বে।
ট্যান্ডন আরও বলেন, বাংলাদেশের শিল্প সক্ষমতা এবং ভারতের উৎপাদন ও সেবা খাত একে অপরের পরিপূরক। এতে আঞ্চলিক সমন্বিত সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (সিইপিএ) পণ্য বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা, বিনিয়োগ সহায়তা, প্রযুক্তি সহযোগিতা, মানদণ্ড এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে পারে।

খাতভিত্তিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পরও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, মানদণ্ড রক্ষা, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও নকশার দক্ষতা আরও জরুরি হয়ে উঠবে।

তিনি চিকিৎসা, পর্যটন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, কৃষি সরবরাহ শৃঙ্খল, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্টার্টআপ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতকে সম্ভাবনাময় সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন।

ট্যান্ডন বলেন, ডিজিটাল অবকাঠামো, ফিনটেক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, উৎপাদন দক্ষতা ও টেকসই উন্নয়নে ভারতের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়ক হতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে অংশীদার সংগঠনগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করতে সিআইআই অঙ্গীকারবদ্ধ।

এ সময়ে সিআইআইয়ের সিনিয়র পরিচালক মনীশ মোহনও বক্তব্য দেন।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page