April 21, 2026, 7:26 pm
শিরোনামঃ
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার আম রপ্তানি সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে : অর্থমন্ত্রী খাদ্যমূল্যের ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া নিষেধ নারায়ণগ‌ঞ্জে ঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপির সংঘর্ষে ৫ জন আহত কুষ্টিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় গত বছরের প্রশ্ন ; কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জনকে অব্যাহতি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হলো বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নীতিহীন বাহিনী : জাতিসংঘের বিশেষ দূত ট্রাম্পকে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করলো পাকিস্তান চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর হরমুজ অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ব্যাপারে বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর সাদিকের সাক্ষাৎকার

ফারুক আহমেদ, মাগুরা জেলা  প্রতিনিধি : মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাফর সাদিক বয়স ৭২ পেরিয়ে ৭৩ বছর চলমান। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ১৯৭০ সাল থেকেই কলেজ ছাত্রলীগের এবং চাকুরী জীবনের পুরাটা সময়ই আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। চাকুরী পরবর্তী অবসরে আসার পর ২০০৭ সাল থেকে সরাসরি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সার্বক্ষণিক ভাবে জড়িত।

১৯৭৩ সাল হতে ২০২৪ সালের  ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে সার্বক্ষণিক নিরলস ভাবে বিজয় নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত কাজ করেন, যাহা সর্বজন বিদীত। বর্তমানে মহম্মদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য এবং দীঘা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।

উপজেলা পদ্ধতি চালু হলে ১৯৮৪/৮৫ সালের শুরুর দিকেই তিনি মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ছিলেন কিন্তু তৎকালীন সময়ে জেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক সেই সময়কার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার কারণে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ তাঁকে বসিয়ে দেন এবং নজরুল ইসলামের পক্ষে কাজ করেন এবং তখন থেকেই ঐ পরিবারের সহিত একটা আত্মিক সম্পর্ক তৈরি হয় যা এখন পর্যন্ত বিদ্যমান আছে বলে নহাটা ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের প্রয়াত নজরুল ইসলামের বড় ছেলে মনিরুল ইসলাম লুলু জানিয়েছেন।

 

২০০৯ সালে আবার তিনি মহম্মদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে সতন্ত্র প্রার্থী হলে তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানীকে জেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক দলীয় মনোনয়ন দিলে সেইবারও দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার্থে উনাকে বসিয়ে দিয়ে দলের পক্ষে কাজ করতে নির্দেশ দিলে তিনি তা অবনত মস্তকে মেনে নিয়ে দলের পক্ষে কাজ করেন।

আবার ঠিক ২০১৯ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা জাফর সাদিক আবারও মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সতন্ত্র প্রার্থী হলে সেই বারও দলীয় মনোনয়ন তৎকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট মোঃ আব্দুল মান্নানকে নৌকা প্রতীক দিয়ে সে বারও দলীয় স্বার্থে বসিয়ে দিয়ে দলের জন্য কাজ করতে জেলা নেতৃবৃন্দ নির্দেশ দিলে তিনি তা অবনত মস্তকে আবারও মেনে নিয়ে দলের পক্ষে কাজ করেন। মোট কথা দলীয় স্বার্থে ত্যাগের এমন নজীরবিহীন দৃষ্টান্ত সমসাময়িক কালের ইতিহাসে বিরল।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাফর সাদিক শুধু একজন ত্যাগী নেতাই নন। তিনি সদালাপী, মিষ্টভাষী, সৎ, সদাহাস্যজ্বল একজন নিরহংকারী ভালো মনের মানুষ, দলীয় সংকীর্ণতার উর্ধ্বে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে আপন করে নেওয়ার এক মহৎপ্রাণ মানুষ। আওয়ামী লীগ ছাড়াও বিরোধী দলের অনেক নেতার সাথেই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জাফর সাদিকের অনেক কথা হয়েছে দলমত নির্বিশেষে সবাই তাঁকে ব্যক্তিগত ভাবে ভালোবাসে, সম্মান করে এবং পছন্দ করেন। তিনি সরাসরি কারো ক্ষতি করেছেন বলে কেউই বলে নাই এবং যতটুকু পারেন মানুষের উপকার করার যথা সাধ্য চেষ্টা করেন।

তিনি বর্তমান সময়ে সমস্ত প্রকার লোভ লালসার উর্ধ্বে একজন ভালো মানুষ। এইবারের উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কথা বললে তিনি বললেন নির্বাচন করার ইচ্ছে নেই। অনেক প্রার্থী আছে অনেকরই লোভ ঐ পদের প্রতি তাই আর কিছু করতে ইচ্ছে করেনা। তবে দলীয় মনোনয়ন পেলে চিন্তা করবো নির্বাচন করা যায় কিনা।

 

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page