January 14, 2026, 12:50 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরসহ সকল পল্লী বিদ্যুৎ অফিসগুলো দালাল মুক্ত করার দাবি ল্যাইন্সেসধারী ইলেকট্রিশিয়ানদের ঝিনাইদহে গভীর রাতে অসহায় ছিন্নমূল শীতার্ত মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসনের কম্বল বিতরণ সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়াতে পরিকল্পিত অগ্নিকাণ্ড : ডিআইজি পে-স্কেল বাস্তবায়নে কমিশনের সুপারিশের অপেক্ষায় আছে সরকার : অর্থ উপদেষ্টা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব সংগঠনের নির্বাচন বন্ধে ইসির নির্দেশনা  গানম্যান পেলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ই-রিটার্ন দাখিলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় অর্থনীতিতে মন্দাভাব দেখা দিয়েছে : পরিকল্পনা উপদেষ্টা যুক্তরাজ্যে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ ব্রিটিশ বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু সুন্দরবন থেকে ১০০ কেজি হরিণের মাংসসহ ৪ হাজার মিটার জালের ফাঁদ জব্দ
এইমাত্রপাওয়াঃ

মেহেরপুরের আমন ধানের বাম্পার  ফলন ; কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মেহেরপুর জেলার গ্রামীণ জনপদে চলছে আমন ধান কাটার ব্যস্ততা। মাঠজুড়ে সোনালি ধানের ঢেউ আর কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ভোরের কুয়াশা ভেঙে কৃষক-শ্রমিকেরা জমিতে নেমে পড়ছেন কাঁচি-ধানকাটা যন্ত্র হাতে। কোথাও আবার দল বেঁধে কাটছে ধান, চলছে গান-বাজনা আর খোঁজ খবরের আড্ডা।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ বছরের আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। ফলে ব্যস্ততার মাঝেও তাদের মুখে তৃপ্তির ছাপ। কাটার পর ধান মাড়াই, শুকানো ও গোলায় তোলার কাজও চলছে সমানতালে। অনেক পরিবারে ধান কাটার দিনটিকে কেন্দ্র করে থাকে আত্মীয়-স্বজনের সমাগম।

মাঠে কাজের ফাঁকে গ্রামের বয়স্করা বলেন, আমন কাটার মৌসুম শুধু কৃষিকাজের নয়, এটি গ্রামীণ ঐতিহ্যেরও উৎসব। একসঙ্গে কাজ, হাসি-আড্ডা আর ফসল ঘরে তোলার আনন্দ মিলিয়ে এ সময়টাকে তারা বছরের সবচেয়ে খুশির সময় বলে মনে করেন।

জেলায় এবছর ২৬৮৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র  ধরা হয়েছে, ১,১৭ ৪০০ মেট্রিক টন।  গত বছরের তুলনায় এবার ধানের ভালো ফলন হয়েছে। দামও ভালো।  প্রতি মণ ধান পাইকারী ১১‘শ টাকা থেকে ১২’শ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই হিসেবে ৩২ কোটি টাকার ধান উৎপাদন হবে।

চলতি মৌসুমে  লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশী জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টি, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় ফলনও হয়েছে ভালো।  ধান কাটা, আটি বাধা, মহিষের গাড়ি কিংবা ইঞ্জিনচালিত গাড়ি ভর্তি করে নিয়ে এসে মাড়াই করতে ব্যস্ত চাষীরা । জেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সদর উপজেলার ঝাউবাড়িয়া গ্রামের কৃষক  আয়ুব আলী জানান, এবছর  তিন বিঘা জমিতে  ধান লাগিয়েছেন । চাষ, চারা রোপণ ও পরিচর্যায় শ্রমিক খরচও বেড়েছে।

প্রতি বিঘা জমিতে  খরচ হয়েছে ১২-১৪ হাজার টাকা।  যা গতবারের  চেয়ে ২-৩ হাজার টাকা বেশি। বিঘা প্রতি ১৬ থেকে ২০ মণ ফলন হয়েছে বলে তিনি জানান। গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে বিচালির চাহিদা বেশি থাকায় প্রতি বিঘা জমির বিচালি ১০-১১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গাংনী উপজেলার ভোমরদহ গ্রামের কৃষক তরিকুল ইসলাম জানান, এবার  ৫ বিঘা জমিতে  ধান চাষ করেছেন।  এ বছর জমিত তেমন সেচ দিতে  হয়নি।  তবে  পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। কয়েক বার কিটনাশক ছিটিয়ে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা পান।

জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক  সঞ্জীব মৃধা জানান, জেলায় এবার ২৬৮৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজার দর ১২০০ টাকা মন হিসেবে ধান বেচাকেনা হবে ৩২ কোটি টাকার। প্রকৃতি অনকূলে থাকায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

January ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Dec    
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page