May 28, 2026, 5:01 pm
শিরোনামঃ
বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র দ্বারা সুগম হবে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ : স্পিকার দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি : অর্থমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে ভাইরাল মহিষটি বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির বগুড়ায় ঈদের দিন স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন শরীয়তপুরে ৩০ গরুসহ নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার প্রথমবারের মতো এআই পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া ভারতে নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ ৮৮ দিন পর ইন্টারনেট সংযোগ চালু করল ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

রাশিয়া ইউক্রেনকে এক হাজার সেনার মরদেহ হস্তান্তর করেছে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  গত মাসে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে গৃহীত একটি চুক্তির আওতায় রাশিয়া ১৭ জুলাই বৃহস্পতিবার ইউক্রেনকে এক হাজার সেনার মরদেহ হস্তান্তর করেছে।

ইস্তাম্বুলে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে অনুষ্ঠিত দুই দফা শান্তি আলোচনায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হলেও ব্যাপকহারে বন্দি বিনিময় এবং নিহত সেনাদের মরদেহ ফেরত দেওয়ার বিষয়ে চুক্তি হয়েছে।

মস্কো থেকে এএফপি জানায়, যুদ্ধবন্দিদের চিকিৎসা সমন্বয়কারী ইউক্রেনের সরকারি সংস্থার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এক হাজার মরদেহ ইউক্রেনে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়, রাশিয়া দাবি করেছে মরদেহগুলো ইউক্রেনের নাগরিকদের। তাদের মধ্যে সেনা সদস্যরাও রয়েছে। তবে ইউক্রেন আগেও অভিযোগ করেছে, রাশিয়া কখনো কখনো ইউক্রেনীয় বলে রুশ সেনাদের মরদেহ ফেরত দেয়।

রাশিয়ার সমঝোতাকারী ও ক্রেমলিনের সরকারি দপ্তরের সহকারী ভ্লাদিমির মেদিনস্কি জানান, এর বিনিময়ে ইউক্রেন ১৯ জন রুশ সেনার মরদেহ ফেরত দিয়েছে।

তিনি মরদেহ ফেরত আসার কিছু ছবিও প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, সাদা মেডিকেল স্যুট পরিহিত ব্যক্তিরা ফ্রিজিং ট্রাক থেকে মরদেহের ব্যাগ নামাচ্ছেন।

সম্প্রতি ইউক্রেন-রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধ চলাকালে বন্দিবিনিময় ও মরদেহ  ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম নিয়মিতভাবেই হয়ে আসছে। এটি দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকটি সফল কূটনৈতিক উদ্যোগের মধ্যে এটি অন্যতম।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ সত্ত্বেও রাশিয়া বারবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে আসছে। দুই পক্ষের মধ্যে তিন বছর ধরে চলা সংঘাতের অবসানের কোনো লক্ষণ এখনও দেখা যাচ্ছে না।

গত মাসে শান্তি আলোচনায় রাশিয়া একাধিক কঠোর শর্ত তুলে ধরে। এর মধ্যে রয়েছে— রাশিয়ার কাছে ইউক্রেনের  আরও ভূখণ্ড হস্তান্তর এবং পশ্চিমা সামরিক সহায়তার সব ধরনের প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান।

কিয়েভ এই দাবিগুলোকে গ্রহণযোগ্য নয় বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং প্রশ্ন তুলেছে, যখন মস্কো কোনো ছাড় দিতেই রাজি নয়, তখন ভবিষ্যতে আলোচনার প্রয়োজনইবা কী?

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page