May 30, 2026, 9:39 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকেরা পাবেন ভর্তুকি ও ঋণ সহায়তা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের উন্নয়নে নতুন পঞ্চবার্ষিকী প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। প্রণোদনা ও কৃষিঋণ বিতরণের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ১ কোটি ৮০ লাখ কৃষককে আনা হচ্ছে ডিজিটাল কৃষি পরিষেবার আওতায়। দেওয়া হবে স্মার্ট কার্ডও। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ২শ’ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর থেকেই এর বাস্তবায়ন শুরু হবে।

খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে। কৃষিপ্রধান দেশ হলেও এ নিয়ে সতর্ক অবস্থানে বাংলাদেশও। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য-নিরাপত্তা জোরদারে নানামুখী পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার।

এরই অংশ হিসেবে সরকার চলমান কর্মসূচির বাইরে পাঁচ বছর মেয়াদী একটি নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের অর্থায়নে এতে ব্যয় হবে ৭ হাজার ২১৪ কোটি টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ১ কোটি ৮০ লাখ কৃষকের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। দেওয়া হবে স্মার্ট কার্ড। এর মাধ্যমে প্রণোদনা, কৃষি উপকরণে ভর্তুকি ও ঋণ সহায়তার মতো বিভিন্ন সেবা পাবেন কৃষকরা।

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “সার্বিকভাবে দেশের উৎপাদন বাড়বে এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, কৃষি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।”

এছাড়া প্রকল্পটির মাধ্যমে এক লাখ হেক্টর নতুন জমিতে উন্নত এবং দক্ষ সেচ প্রযুক্তির প্রচলন করা হবে। পাশাপাশি তরুণদের মধ্যে কৃষি উদ্যোগকে জনপ্রিয় করতে ২০ হাজার নারী-পুরুষকে দেওয়া হবে প্রশিক্ষণ।

একই সঙ্গে ফল ও সবজির আওতাধীন এলাকা তিন লাখ হেক্টর এবং উচ্চ ফলনশীল ধানের আবাদ দুই লাখ হেক্টরে উন্নীত করা হবে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রকল্পটি শেষ হলে জিডিপিতে কৃষির অবদান বাড়বে।

ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “কৃষিকে বাণিজ্যিককরণ এবং কৃষি ব্যবসাকে সহায়তাকরণ- এগুলো হলো নতুন প্রকল্পের উদ্দেশ্য। সেই সঙ্গে কৃষি গবেষণা এবং অবকাঠামোকে সহায়তা করা।”

কৃষির আধুনিকায়ন, বৈচিত্রকরণ ও সামগ্রিক উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে এই প্রকল্প টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page