May 28, 2026, 12:09 pm
শিরোনামঃ
বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র দ্বারা সুগম হবে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ : স্পিকার দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি : অর্থমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে ভাইরাল মহিষটি বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির বগুড়ায় ঈদের দিন স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন শরীয়তপুরে ৩০ গরুসহ নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার প্রথমবারের মতো এআই পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া ভারতে নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ ৮৮ দিন পর ইন্টারনেট সংযোগ চালু করল ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ভারতের দিকে ১৩০টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রেখেছি : পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কাশ্মীরের পেহেলগামে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে ভারত ও পাকিস্তান পরিস্থিতি অস্থির হয়ে উঠেছে। সপ্তাহ ধরেই সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেই চলছে। এই ঘটনা দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের মন্ত্রী হানিফ আব্বাসী ভারতে পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

রোববার (২৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ইন্ডিয়া টুডে এই তথ্য জানায়।

শনিবার এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী হানিফ আব্বাসী বলেন, ‘শুধুমাত্র ভারতের জন্য ১৩০টি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রেখেছি।’ এছাড়া তিনি ঘোরি, শাহিন, গজনবি-এর মতো মিসাইলও প্রস্তুত থাকার কথা উল্লেখ করেন এবং ভারতকে সতর্ক করে দেন।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ভারত সিন্ধু নদের পানি বন্ধ করে দেওয়ার সাহস করে, তাহলে পাকিস্তান সর্বাত্মক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকবে।’

মন্ত্রীর বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমরা মিলিটারি সরঞ্জাম এবং মিসাইল শুধু দেখানোর জন্য রাখিনি। পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রও প্রস্তুত রয়েছে। কোথায় রাখা আছে, তা কেউ জানে না, কিন্তু এটুকু জানিয়ে রাখছি, এসব ব্যালিস্টিক মিসাইল ভারতের দিকেই তাক করা রয়েছে।’

ভারতীয় বিমানের জন্য পাকিস্তানের আকাশসীমাও বন্ধ করে দেওয়ার প্রসঙ্গে হানিফ আব্বাসী বলেন, ‘নয়াদিল্লি তার পদক্ষেপের কঠোর পরিণতি বুঝতে শুরু করেছে।’ তিনি দাবি করেন, ‘১০ দিন যদি এরকম চলতে থাকে, তাহলে ভারতের এয়ারলাইন্সগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে।’

পেহেলগামে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর ভারত পাকিস্তানকে পরোক্ষভাবে দায়ী করে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে ১৯৬০ সালের সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করা এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের জন্য সমস্ত ভিসা বাতিল করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ভারতের অভিযোগের শক্তিশালী অস্বীকার করে পাকিস্তান পাল্টা পদক্ষেপ নিয়েছে। সিমলা চুক্তি স্থগিতসহ পাকিস্তান ভারতের বিমান পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে এবং সিন্ধু নদের পানি বন্ধ রাখলে ভারতকে যুদ্ধের হুমকি দিয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page