May 28, 2026, 2:47 pm
শিরোনামঃ
বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র দ্বারা সুগম হবে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ : স্পিকার দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি : অর্থমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে ভাইরাল মহিষটি বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির বগুড়ায় ঈদের দিন স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন শরীয়তপুরে ৩০ গরুসহ নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার প্রথমবারের মতো এআই পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া ভারতে নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ ৮৮ দিন পর ইন্টারনেট সংযোগ চালু করল ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউক্রেন ভূমি ছেড়ে না দিলে রাশিয়া লড়াই চালিয়ে যাবে : পুতিন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : কিয়েভ যদি মস্কোর দাবিকৃত অঞ্চল থেকে সরে যায় তবে ইউক্রেন আক্রমণ বন্ধ করবেন পুতিন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন গতকাল বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইউক্রেন যদি মস্কোর দাবিকৃত অঞ্চল থেকে সরে না যায়, তবে তার সেনাবাহিনী বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সেগুলো দখল করবে।

ইউক্রেন এই ভূমি ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত রাশিয়া লড়াই চালিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

রাশিয়ার সেনাবাহিনী পূর্ব ইউক্রেনে ধীরে ধীরে অগ্রসর হচ্ছে, যা একটি ব্যয়বহুল যুদ্ধের পরিণতি।

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনীর এই আগ্রাসন ইউক্রেনীয় বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

ইতোমধ্যে ওয়াশিংটন প্রায় চার বছরের যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।

মস্কো ও কিয়েভের সঙ্গে আসন্ন আলোচনার মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত এই শান্তি পরিকল্পনাটি খুব শিগগিরই চূড়ান্ত করতে চায়।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সংঘাত নিরসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কিরগিজস্তান সফরের সময় পুতিন বলেন, ‘যদি ইউক্রেনীয় বাহিনী তাদের দখলে থাকা অঞ্চলগুলো ছেড়ে চলে যায়, তাহলে আমরা যুদ্ধ অভিযান বন্ধ করে দেব।’

তিনি আরো বলেন, ‘যদি তারা তা না করে, তাহলে আমরা সামরিক উপায়ে তা দখল করে নেব।’

রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে আছে।

কিয়েভ জানিয়েছে, তারা কখনও দখলকৃত ভূমি ছেড়ে দেবে না। এটি শান্তি প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় বাধাগুলোর মধ্যে একটি।

ইউক্রেনের জন্য ‘পশ্চিমা নিরাপত্তা গ্যারান্টি’ নিয়ে আলোচনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইউক্রেন মনে করে যে ভবিষ্যতে রাশিয়াকে পুনরায় আক্রমণ করা থেকে বিরত রাখতে এটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

ওয়াশিংটনের প্রাথমিক বা মূল পরিকল্পনাটি ইউক্রেনের ইউরোপীয় মিত্রদের মতামত ছাড়াই খসড়া করা হয়েছিল।

ওই পরিকল্পনায় কিয়েভকে তার পূর্ব দোনেৎস্ক অঞ্চল থেকে সরে যেতে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কার্যত দোনেৎস্ক, ক্রিমিয়া ও লুগানস্ক অঞ্চলগুলোকে রাশিয়ান হিসাবে স্বীকৃতি দিত।

কিয়েভ ও ইউরোপের সমালোচনার পর সপ্তাহান্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওই পরিকল্পনাটি প্রত্যাহার করে নেয়।

তবে এখনও নতুন সংস্করণটি প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র।

নতুন পরিকল্পনাটি দেখেছেন বলে উল্লেখ করে পুতিন বলেন, এটি আলোচনার একটি সূচনাবিন্দু হতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে, আমরা একমত যে এটি ভবিষ্যতের একটি চুক্তির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।’

পুতিন বলেন, রাশিয়া এখনও দখলকৃত অঞ্চলগুলোর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চাইছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page