August 29, 2026, 10:37 am
শিরোনামঃ
যশোরের শার্শায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার যশোরে মাকে হত্যার দায়ে ১৭ ঘণ্টা পর স্কুল শিক্ষক ছেলে মামুন আটক কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয় : আইনমন্ত্রী শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা আজ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস কক্সবাজারে রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ত্রিমুখী সংঘর্ষে মা-ছেলে গুলিবিদ্ধ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ভোররাতে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জামালপুরে নিজ দোকানের ভেতর থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার কানাডার অন্টারিও হ্রদের নাম বদলে লেক আমেরিকা করলেন ট্রাম্প
এইমাত্রপাওয়াঃ

পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা দেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটাবে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটাবে। ‘কমিউনিটি এন্টারপ্রাইজ পদ্ধতিতে অ্যাগ্রোইকোলজি উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রায়োগিক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপনবিষয়ক কর্মশালায় এ কথা বলেন বক্তরা।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর আইটি হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বার্ডের মহাপরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ। বার্ডের যুগ্ম পরিচালক মো. আবু তালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী পরিচালক মো. সালেহ আহমেদ।

কর্মশালায় গবেষণার ফলাফল শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা শিক্ষা, স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম (শিসউক)-এর নির্বাহী পরিচালক সাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ। এতে অন্যান্যের মধ্যে শিসউকের সহকারী পরিচালক আনাস আল ইসলাম, সহকারী পরিচালক সালেহ আহমেদ এবং সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বার্ডের মহাপরিচালক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, প্লাবনভূমিতে সমন্বিত কৃষি পদ্ধতি কুমিল্লায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্লাবনভূমিতে মাছ ও ধানচাষে ‘দাউদকান্দি মডেল’ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। ময়মনসিংহের পর মাছ উৎপাদনে কুমিল্লা এখন দেশে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে।

সাকিউল মিল্লাত মোর্শেদ তার প্রবন্ধে বলেন, বাংলাদেশের কৃষি প্রেক্ষাপটে পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা তথা এগ্রোইকোলজি চর্চা একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে কমিউনিটিভিত্তিক এন্টারপ্রাইজ মডেল গ্রামীণ কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা ও বাজার সংযোগ উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, কৃষক পর্যায়ে জৈব সার উৎপাদন, কীটনাশকমুক্ত চাষাবাদ, পানি ব্যবস্থাপনা এবং স্থানীয় জ্ঞানভিত্তিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসার সবই এগ্রোইকোলজিকে শক্তিশালী করবে।

কর্মশালায় প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সাফল্যের নমুনা, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষি গবেষক, এনজিও প্রতিনিধি, স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা এগ্রোইকোলজি কার্যক্রম বিস্তারে নীতিগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও কৃষক-উদ্যোক্তা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page