অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নীলফামারীর সৈয়দপুরের শহিদ তুলসীরাম সড়কে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক শাখার ভল্ট থেকে ৪৩ কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেছে। গত দুই বছর ধরে অভিনব কায়দায় ঐ টাকাগুলো সরানো হয়, যা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ব্যাংকটির ঐ শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমালের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি পলাতক বলে জানা যায়।
ব্যাংকটির আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা চলাকালে জালজালিয়াতি, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি উদ্ঘাটিত হয়। তদন্ত পরিচালনা করেন ব্যাংকটির হেড অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মেহেদী রহমান। তিনি নিরীক্ষা দলের প্রধান। তদন্ত প্রতিবেদন গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রংপুরে অগ্রণী ব্যাংক মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ে পেশ করা হয়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়—গত দুই বছর ধরে অগ্রণী ব্যাংক সৈয়দপুর শাখা থেকে ৪৩ কোটি টাকা সরানো হয়। এর মধ্যে ১৫ কোটি টাকা সরানো হয়েছিল ব্যাংকটির রংপুর কেন্দ্রীয় বাসটার্মিনাল এলাকার ইসলামী ব্যাংকিং শাখা থেকে। ঐ শাখার ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফের অ্যাকাউন্টেও পাঠানো হয়েছে ৪৫ লাখ টাকা। তবে ঐ ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল লতিফ জানান, ‘জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমালের কাছে ৪৫ লাখ টাকা পেতেন। সেই টাকা আলিমুল আল রাজি তমাল পরিশোধ করেছেন।
টাকা আত্মসাতের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। তিনি আরো বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চান না।
নিরীক্ষা প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আলিমুল আল রাজি তমাল ব্যাংকের কয়েকজন সহকর্মীর অ্যাকাউন্ট ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে এসব টাকা আত্মসাত করেন, যা চলছিল ২০২৪ সাল থেকে ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত।