অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভিডিও বক্তব্যের নিচে মন্তব্য করে দলীয় পদ হারিয়েছেন নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সদস্য শামসুদ্দিন খান। তবে এ নিয়ে আফসোস নেই তার। তিনি বলেন, রাজনীতিতে শিষ্টাচার লঙ্ঘন করা উচিত নয়।
রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কাজে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সদস্য মো. শামছুদ্দিন খানকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে কটাক্ষ করে সমালোচনা করেছেন তার ফেসবুক পেইজে। তিনি তার পদে থেকে প্রকাশ্যে এরকম সমালোচনা করতে পারেন না
এ নিয়ে শামছুদ্দিন খান বলেন, আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটা ভিডিও বক্তব্যে মন্তব্য করার কারণে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে আমার কিছু যায় আসে না। তারেক রহমান উনার বক্তব্যে মরহুম শেখ মুজিব, শেখ মুজিব বলছিলেন। আমি সেখানে মন্তব্য করেছি যে সম্মানিত মানুষকে নিয়ে কথা বলার সময় শিষ্টাচার মেনে কথা বলা উচিত।
তিনি বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে রাজনীতি করেছি। আমার এখন ৭৪ বছর বয়স। ২০ বছর ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আমার শত্রু আছে মিত্র আছে সবাইকেই আমি বলব শিষ্টাচার মেনে কথা বলার জন্য। বিশ্ববিদ্যালয় যখন রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়েছি তখন রাজনৈতিক শিষ্টাচারের কথা শিখেছি। পরবর্তী প্রজন্ম আমাদের কাছ থেকে শিখবে।
শামছুদ্দিন বলেন, এই মন্তব্য করার পর দল থেকে আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল, ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি ক্ষমা চাইনি। কারণ আমি যা করেছি কোনো প্রকার চাপে বা কারও দ্বারা প্ররোচিত হয়ে করিনি। আমি সচেতন ভাবে আমার নিজস্বতা দিয়ে করেছি।
শামছুদ্দিনের ভাই মুজিবুর রহমান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তার এ ধরনের মন্তব্যের কারণে ভাইয়ের রাজনীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শামছুদ্দিন বলেন, আমার ভাই আমাকে কল করেছিল ক্ষমা চাইতে বলেছে। আমি আমার কথা বলেছি।