28 Feb 2025, 02:12 pm

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  বরগুনার তালতলীতে একটি মুদি দোকানে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্য বিক্রি করায় বিক্রেতাকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত বিক্রেতার নাম অনিল চন্দ্র শীল।

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাতে এই কারাদণ্ডের আদেশ দেন তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সিফাত আনোয়ার তুমপা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, টিসিবির পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তালতলী বাজারের অনিল চন্দ্র শীলের মুদি দোকানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ওই দোকান থেকে ৭২ লিটার সয়াবিন তেল, ৮০ কেজি মসুরের ডাল ও ৪১ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা বলেন, দোকানে টিসিবি পণ্য মজুদ রাখা ও বিক্রির অভিযোগে দোকান মালিককে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন-১৮৬০ এর ১৮৮ ধারায় ১৪ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে ওই দোকান মালিক টিসিবির পণ্য কোথা থেকে পেয়েছেন তার নাম প্রকাশ করেননি।

 

বরগুনার মুদি দোকানে টিসিবির পণ্য বিক্রি ; ব্যবসায়ী কারাগারে

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইয়ারস’ ও হাজার হাজার সেনা নিয়ে সামরিক মহড়া শুরু করেছে রাশিয়া। এই মহড়াকে মস্কোর পারমাণবিক শক্তি প্রদর্শনের আরেকটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বুধবার (২৯ মার্চ) টেলিগ্রামে পাঠানো এক বার্তায় রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই মহড়ায় তিন হাজারের বেশি সামরিক কর্মী এবং প্রায় ৩০০ সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জামাদি জড়িত রয়েছে। তবে মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।

আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৭ হাজার ৫০০ মাইল। ‘ইয়ারস’ কমপ্লেক্সটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে জাপানের হিরোশিমায় মার্কিন বাহিনীর ব্যবহৃত ‘লিটল বয়’ পারমাণবিক বোমার চেয়ে ১২ গুণ বেশি শক্তিশালী।

সম্প্রতি, রাশিয়া একটি কৌশলগত পারমাণবিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করছে। রুশ বাহিনী তাদের কালুগা অঞ্চলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রে ‘ইয়ারস’ নামের এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করেছে।

এর আগে এই ক্ষেপণাস্ত্র সম্পর্কে রাশিয়া জানিয়েছিল, পরিকল্পনা অনুযায়ী এটি যুদ্ধের দায়িত্বে থাকবে। এছাড়া আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে পরমাণু অস্ত্র সংযুক্ত থাকবে। এটি কৌশলগত ক্ষেত্রে যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে।

 

আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ইয়ারস’ নিয়ে মহড়া শুরু করলো রাশিয়া

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  নকল ওষুধ তৈরির দায়ে ভারতে ১৮টি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) ২০টি রাজ্যের ৭৬টি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানোর পর এই সংস্থাগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হয়। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) ডিসিজিআই এর কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানায় হিন্দুস্তান টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এছাড়া হিমাচল প্রদেশের ৭০টি, উত্তরাখণ্ডের ৪৫টি এবং মধ্যপ্রদেশের ২৩টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভারতে তৈরি দুটি কাশি ও সর্দির সিরাপ সেবনের পর উজবেকিস্তানে শিশু মৃত্যুর খবরে কেঁপে উঠেছিলেন কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞরা। এরপরেই ভারতে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলোতে একটি স্টিং অপারেশন চালানো হয়।

নকল ওষুধ তৈরির দায়ে ভারতে ১৮টি ওষুধ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  মিয়ানমারে জান্তা নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন কমিশন অং সান সুচির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

সামরিক সরকারের খসড়াকৃত কঠোর নির্বাচনী আইনে নতুন করে দলটির নিবন্ধিত হওয়ার ব্যর্থতার জেরে মঙ্গলবার এ ঘোষণা দেয়া হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে। খবর এএফপি’র।

সুচির দল এনএলডি ২০২০ সালের নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করেছিল। সামরিক বাহিনী ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে রক্তপাতহীন অভ্যূন্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে সুচিকে গৃহবন্দী করে রাখে। এ অভ্যুত্থানকে ন্যায্যতা দিতে তারা ২০২০ সালের নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি হয়েছে বলে দাবি করে।

নতুন করে দেশটিতে নির্বাচন আয়োজনকে সামনে রেখে জানুয়ারিতে জান্তা সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে কঠোর নির্বাচনী আইনের আওতায় পুনরায় নিবন্ধিত হতে দু’মাস সময় বেঁধে দেয়।

নতুন আইনে বিদ্যমান ৯০টি দলের মধ্যে কেবলমাত্র ৫০টি পুনরায় নিবন্ধনের আবেদন করে। বাকী দলগুলোকে আজ বুধবার থেকে ভেঙে দেওয়া হবে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার কেন্দ্র ‘এমআরটিভি’ এ কথা জানিয়েছে।

এদিকে জান্তার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সামরিক বাহিনীর সমর্থিত ইউনিয়ন সলিডিটারি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি পুনরায় নিবন্ধিত হওয়ার আবেদন করেছে।

সুচি ১৯৮৮ সালে এনএলডি প্রতিষ্ঠা করেন। তার দল ১৯৯০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। কিন্তু তৎকালীন জান্তা সরকার তা বাতিল করে। তবুও গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষাকে জিইয়ে রেখে ২০১৫ ও ২০২০ সালের নির্বাচনে দলটি বিজয় ছিনিয়ে আনে।

এদিকে ২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের প্রথম কয়েক ঘন্টার মধ্যেই সুচিকে আটক করা হয়। বিভিন্ন মামলায় রুদ্ধদ্বার আদালতে তার বিচার শেষে ৭৭ বছর বয়সী সুচিকে এ পর্যন্ত ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত তিন হাজার একশ’রও বেশি লোক নিহত এবং ২০ হাজারেরও বেশি লোককে আটক করা হয়েছে। (বাসস)

সুচির দল ভেঙ্গে দিল জান্তা সরকারের নির্বাচন কমিশন

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সরকারি বিতরণ কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে আটা নিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন বৃদ্ধা এবং অন্যজন পুরুষ। এছাড়া হুড়োহুড়ি ও পদদলনের ঘটনায় আরও ৫৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪৫ জন নারী।

বুধবার (২৯ মার্চ) পৃথক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এবং দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার পাঞ্জাব প্রদেশের সাহিওয়াল, বাহাওয়ালপুর, মুজাফফরগড় এবং ওকারা জেলায় বিনামূল্যে আটা কেন্দ্রে পদদলিত হয়ে এক বৃদ্ধা ও পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় ৪৫ জন নারীসহ ৫৬ জন আহত হয়েছেন। সরকার এই কার্যক্রম শুরু করার পর থেকে বিতরণে অব্যবস্থাপনা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

দ্য ডন বলছে, মঙ্গলবার কায়েদ-ই-আজম স্টেডিয়ামে স্থাপিত বিতরণ কেন্দ্রে বিনামূল্যে আটা সংগ্রহ করতে আসা এক বৃদ্ধা পদদলিত হয়ে নিহত হয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের আঘাত পেয়ে আহত হন আরও ৪৫ নারী।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, আটা নিতে আসা ব্যক্তিদের যাচাই করতে ব্যবহৃত অ্যাপটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির মুখে পড়ে এবং কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিনামূল্যে আটা বিতরণের স্থানে প্রচুর লোকের ভিড় দেখা দেয়। ভিড় জমানো এসব মানুষ সিস্টেমটি পুনরায় কাজ শুরু করার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করেন এবং এর কারণে অনেকে হতাশ হয়ে পড়েন।

বলা হচ্ছে, মঙ্গলবার অ্যাপের লিংকটি ডাউন ছিল এবং তিন থেকে চার ঘণ্টার জন্য ধরে সেটি চালুই হয়নি। অন্যদিকে দেড় হাজারেরও বেশি নারী সেসময় আটা নিতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। পরে সেখানে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

এদিকে আটা বিতরণ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য অনেক নারী পুলিশকে দায়ী করেছেন। তাদের অভিযোগ, সেখানে অনেক লোকের ভিড় থাকলেও কেন্দ্রে নিযুক্ত সিভিল লাইন পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ব্যক্তিদের মারধর ও লাঠিচার্জ শুরু না করা পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে মারধর ও লাঠিচার্জ শুরুর পর বিশৃঙ্খলা দেখা যায় এবং এর কারণে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রশাসনের অ্যাপটি বন্ধ হয়ে যায় এবং লোকজন ভিড় ও দীর্ঘ লাইনে আটকে অনেকে অস্বস্তিতে চিৎকার করতে থাকেন। পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার পরিবর্তে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। এসময় নারীদের চড় ও ধাক্কা মারতেও দেখা যায় পুলিশ সদস্যদের। এর ফলে ভিড় আরও বেশি উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং পরিস্থিতির অবনতি হয়ে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম নাসিম আক্তার। তিনি সাহিওয়াল শহরের কারবালা রোডের বাসিন্দা আমিরের স্ত্রী।

রেসকিউ ১১২২-এর কর্মকর্তা আদনান শামাস ডনকে জানান, ছয়টি জরুরি যানবাহন ও কর্মীরা আহত নারী ও পুরুষদের চিকিৎসা দিয়েছেন। আহত ২৫ নারীকে আরও চিকিৎসার জন্য সাহিওয়াল টিচিং হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং বাকিদের ঘটনাস্থলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পাঞ্জাবের তত্ত্বাবধায়ক মুখ্যমন্ত্রী মহসিন নকভি পদদলিত হয়ে প্রাণহানির ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে পৃথক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, পাঞ্জাবের রহিম ইয়ার খানে বিনামূল্যের আটা নিতে গিয়ে ৭৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পদদলনের শিকার হন। আনোয়ার দ্বীন নামের ওই ব্যক্তি পরে মারা যান। এই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

পাকিস্তানে বিনামূল্যে আটা নিতে যেয়ে পদদলিত হয়ে ২ জন নিহত ; আহত ৫৬

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশের ব্যাংকখাতে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বিশ্ব বাজারে বেড়ে যায় সোনার দাম। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বুধবার (২৯ মার্চ) বিশ্ব বাজারে আবারও কিছুটা কমেছে এই সোনালী ধাতুর মূল্য।

ব্যাংকখাতের অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা সোনার বাজারে বিনিয়োগ শুরু করেন। হঠাৎ করে চাহিদা বাড়ায় সোনার দামও তর তর করে বাড়তে থাকে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বুধবার স্পট গোল্ড প্রতি আউন্স ১ হাজার ৯৬১ দশমিক ৮০ ডলারে বেঁচা-কেনা হয়েছে। যা গত দিনের তুলনায় ০ দশমিক ৬ শতাংশ কম। এর আগের দিন অবশ্য দাম ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল।

অপরদিকে বুধবার ফিউচার গোল্ড প্রতি আউন্স বেঁচা-কেনা হয়েছে ১ হাজার ৯৬৩ দশমিক ১০ ডলারে। যা গত দিনের তুলনায় ০ দশমিক ৫ শতাংশ কম।

সিটি ইনডেক্সের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক ম্যাট সিম্পসন রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা স্বাভাবিক রিট্রেসমেন্ট দেখেছি। সোনার দাম ১ হাজার ৯৭৫ ডলার পার হতে ব্যর্থ হওয়ার পর কমা শুরু করেছে।’

তবে কিছু বিনিয়োগকারী ‘সোনার ওপরই আস্থা রাখবেন’ বলে জানিয়েছেন এ বিশ্লেষক। কারণ তাদের শঙ্কা ব্যাংক খাতে যে অস্থিরতা দেখা গিয়েছিল, এমন কিছু আবারও নিকট ভবিষ্যতে হতে পারে।

ম্যাট সিম্পসন আরও বলেছেন, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার বিষয়টি সোনাকে শেষ পর্যন্ত সহায়তা দিয়ে যাবে। তবে আগামী কয়েক সপ্তাহে দামে আবারও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে যদি যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক ডাটা বাড়তেই থাকে।

বুধবার যে তথ্য পাওয়া গেছে, সেটি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তাদের আস্থা মার্চ মাসে অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে, যেখানে ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা বেড়েছিল। সূত্র: রয়টার্স

আন্তর্জাতিক বাজারে কমলো সোনার দাম

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনের প্রতিবেশি দেশ  বেলারুশে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষিত পরিকল্পনার কঠোর সমালোচনা করেছেন এবং এটিকে ‘বিপজ্জনক’ বলে উল্লেখ করেছেন। খবর এএফপি’র।
বাইডেন হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি বিপজ্জনক আলোচনা এবং উদ্বেগজনক।’
ক্রেমলিন নেতা শনিবার ঘোষণা দেন যে, তিনি বেলারুশে রাশিয়ার কৌশলগত পরমাণু অস্ত্র মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন। বেলারুশ হচ্ছে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর অন্যতম। মস্কো পক্ষের কর্তৃত্ববাদী নেতা আলেকজান্ডর লুকাশেঙ্কো দেশটি পরিচালনা করেন।
ওয়াশিংটন এই পরিকল্পনার নিন্দা করেছে। রাশিয়া ও বেলারুশের প্রতিবেশি দেশ পশ্চিমাপন্থী ইউক্রেনকে পরাজিত করার মস্কোর প্রচেষ্টার এক বছরেরও বেশি সময় পর মস্কো এমন পরিকল্পনা করে।
তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, তারা রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্র স্থানান্তরের কোন লক্ষণ দেখেনি।
বাইডেন বলেন, ‘তারা এখনও তা করেনি।’

পুতিনের পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ‘বিপজ্জনক’ : বাইডেন

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান। এর সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। দেশটির ক্ষমতাসীন শেহবাজ শরিফের সরকার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অবস্থান কার্যত মুখোমুখি।

এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতির ক্ষমতা কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। এতে করে দেশটিতে রাজনৈতিক সংকট আরও প্রকট আকার নিতে পারে। বুধবার (২৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার মঙ্গলবার দেশটির পার্লামেন্টে সুপ্রিম কোর্ট (অনুশীলন এবং পদ্ধতি) বিল, ২০২৩ উত্থাপন করেছেন বলে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ রিপোর্ট করেছে। পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতির সুয়ো মোটু নোটিশ নেওয়ার বিবেচনামূলক ক্ষমতা সীমিত করার লক্ষ্যে এই বিল উত্থাপন করা হয়েছে।

এএনআই বলছে, হাউস প্রস্তাবিত এই বিলটি অনুমোদনের জন্য জাতীয় পরিষদের (এনএ) আইন ও বিচার সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির কাছে পাঠিয়েছে। বুধবার সকালে চৌধুরী মাহমুদ বশির ভির্কের সভাপতিত্বে জাতীয় পরিষদের আইন ও বিচার সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি এই বিষয়ে বৈঠকে বসবে।

পরে কমিটি তা নিম্নকক্ষে ফেরত পাঠাবে। এছাড়া জাতীয় পরিষদে বিলটি পাস হওয়ার পর সেটি অনুমোদনের জন্য সিনেটে পাঠানো হবে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতির ক্ষমতা নিয়ে একদিন আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি – বিচারপতি সৈয়দ মনসুর আলি শাহ এবং বিচারপতি জামাল খান মান্দোখাইল। এই দুই বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট ‘কেবল প্রধান বিচারপতির একক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না।’

আর এর একদিন পরই প্রধান বিচারপতির ক্ষমতা কমানোর বিষয়ে পাকিস্তান সরকারের এই সিদ্ধান্ত সামনে এলো।

পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে নির্বাচনের বিষয়ে গত ১ মার্চ শীর্ষ আদালতের সুয়ো মোটু রায়ের জন্য ২৭ পৃষ্ঠার একটি ভিন্নমত নোট লিখেছেন বিচারপতি শাহ এবং বিচারপতি মান্দোখাইল। সেখানে তারা বলেছেন, সংবিধানের ১৯১ অনুচ্ছেদের অধীনে আদালতের সকল বিচারকের মাধ্যমে অনুমোদিত নিয়ম-ভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতকে নিয়ন্ত্রিত করতে হবে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির অধিবেশন চলাকালীন দেওয়া বক্তৃতায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এ বিষয়ে সংসদীয় পদক্ষেপ চেয়েছিলেন।

জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি ওই দুই বিচারপতির ভিন্নমতের নোটটিকে ‘আশার আলো’ বলে অভিহিত করেন। শেহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘বিচার বিভাগ থেকে যে পরিবর্তনের আওয়াজ উঠেছে তা অবশ্যই দেশের জন্য আশার আলো।’

অবশ্য শরিফের দল পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ দেশটির বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে ‘বেঞ্চ ফিক্সিং’-এর অভিযোগ করেছে।

পার্লামেন্ট বক্তৃতা করার সময় পাকিস্তানের আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার বলেন, সুয়ো মোটু নোটিশের নামে গৃহীত পদক্ষেপের কারণে সুপ্রিম কোর্টের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তার ভাষায়, ‘আমরা সেই যুগও দেখেছি যখন তুচ্ছ বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত নোটিশ নেওয়া হতো (…) এছাড়াও, অতীতে বেশ কয়েকটি পর্যালোচনা মামলা বিলম্বিত হয়েছিল এবং শুনানির জন্য নির্ধারিত হয়নি।’

তারার বলেন, দুই বিচারপতির ভিন্নমতের নোট আরও উদ্বেগের কারণ হয়েছে। তিনি দাবি করেন, স্বতঃপ্রণোদিত নোটিশের অধীনে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর আগে আপিল করা যাবে না।

বিলে প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত ক্ষমতা তিন জ্যেষ্ঠ বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। এছাড়া বিলে সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করার অধিকার সম্পর্কিত একটি ধারাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যা ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের করা যেতে পারে এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে শুনানির জন্য নির্ধারিত হবে।

বিল অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের প্রতিটি ধারা, আপিল বা বিষয় পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি এবং দুই সিনিয়র বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চের মাধ্যমে শুনানি ও নিষ্পত্তি করা হবে। বিলে আরও বলা হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে কমিটির সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পাকিস্তানে প্রধান বিচারপতির ক্ষমতা কোমাচ্ছে শেহবাজ সরকার

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সাময়িকভাবে বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরাইলি বুদ্ধিজীবি এবং মিডিয়াগুলো ‘হিব্রু বসন্ত’ ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইসরাইলে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। কোনো কোনো মিডিয়া জানিয়েছে নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে প্রায় ৭ লক্ষ লোক বিক্ষোভ করেছে। আরব মিডিয়াগুলো অধিকৃত এই ভূখণ্ডের চলমান পরিস্থিতিকে ‘হিব্রু বসন্ত’ বলে উল্লেখ করেছে। আরব মিডিয়ার এরকম বর্ণনায় ইহুদিবাদীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

ইহুদিবাদী সংবাদপত্র “হারেৎজ” অধিকৃত ভূখণ্ডের বর্তমান বিক্ষোভ সম্পর্কে আরব মিডিয়া বিশেষ করে মিশরীয় সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনা করেছে। পত্রিকাটি লিখেছে, ইসরাইলের বর্তমান সংকটের সংবাদ তুলে ধরতে গিয়ে ‘হিব্রু বসন্ত’ পরিভাষা ব্যবহার করা হয়েছে। এটা  ইহুদিবাদী ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার জন্য একটা বড় রকমের ধাক্কা। কোনো কোনো মিডিয়া বলেছে “ইসরাইলের দিন শেষ” হয়ে এসেছে। হিব্রু সংবাদপত্র হারেৎজ তেল আবিবের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে মিডিয়াগুলোর এ ধরনের বর্ণনার নিন্দা জানিয়েছে।

বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনার ব্যাপারে জনগণের ব্যাপক বিরোধিতার মুখে নেতানিয়াহু ওই পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ব্যাপক চাপের কারণে সোমবার রাতে নেতানিয়াহু জোটের নেতাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে তার ওই বিতর্কিত পরিকল্পনা স্থগিত করার ঘোষণা দেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন: আমি  বিচার বিভাগীয় সংস্কার পরিকল্পনাটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেইসঙ্গে সংস্কারের ব্যাপারে সংলাপের সুযোগ দিচ্ছি।

নেতানিয়াহুর দুটি পদক্ষেপের ব্যাপারে ইহুদিবাদীরা শঙ্কিত। প্রথমটি হলো ইসরাইলের যুদ্ধমন্ত্রীকে বরখাস্ত করা। যুদ্ধমন্ত্রী গ্যালান্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হয়েও প্রকাশ্যে বিতর্কিত বিচারিক সংস্কার পরিকল্পনার সমালোচনা করেছিলেন। সে কারণে নেতানিয়াহু গত রোববার (২৬ মার্চ) তাকে বরখাস্ত করেন। এই ঘটনার ব্যাপক বিরোধিতা করেছে ইহুদিবাদী সেনাবাহিনী। যুদ্ধমন্ত্রীর প্রতি সেনাবাহিনী তাদের সমর্থন জানিয়েছে এবং সেইসাথে ইহুদিবাদী চিন্তাবিদরাও এ বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়েছে।

বরখাস্তকৃত যুদ্ধমন্ত্রী গ্যালান্ট

ইসরাইলের পাবলিক সিকিউরিটি সার্ভিস শাবাক-এর সাবেক প্রধান “অ্যামি আয়ালোন” এ প্রসঙ্গে বলেছেন: নেতানিয়াহু সেনাবাহিনীকে ভেঙে দেওয়াসহ দেশের নিরাপত্তা ধ্বংস করার মতো আরেকটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছেন। তিনি বলেন: নেতানিয়াহুর সরকার যে বিপজ্জনক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন সেটা অন্যদের চেয়ে গ্যালান্ট ভালোভাবে বুঝতে পেরেছিলেন।

ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটও সোমবার এক অডিও বার্তায় স্বীকার করেছেন: ১৯৭৩ সালে মিশরের সঙ্গে অক্টোবর যুদ্ধের পর ইসরাইল তার অস্তিত্বের সবচেয়ে সংকটজনক পর্যায়ে রয়েছে।

দ্বিতীয় উদ্বেগজনক পদক্ষেপটি হলো তার মন্ত্রিসভার সমর্থনে দলের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ করার আহ্বান। এই পদক্ষেপ অভ্যন্তরীণ সংঘাতকে উস্কে দেবে। আর তা হলে ‘হিব্রু বসন্তের’ ভিত্তি তৈরি করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

নেতানিয়াহুর নতি স্বীকার ; হিব্রু বসন্তের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন ইসরাইলের ইহুদিবাদীরা

অনলাইন সমিান্তবাণী ডেস্ক :  মার্কিন বিমান বাহিনীর প্রধান ফ্রাঙ্ক কেন্ডাল দেশটির আইন প্রণেতাদেরকে জানিয়েছেন যে, চতুর্থবারের মতো আমেরিকার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হয়েছে। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ের দিকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বশেষ পরীক্ষা চালানো হয়।

ফ্রাঙ্ক কেন্ডাল জানিয়েছেন চলতি মাসে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র এ আর আর ডাবলু’র পরীক্ষা চালানো হয় কিন্তু তা সফল হয়নি। এ প্রেক্ষাপটে তিনি এই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, লকহিড মার্টিন কোম্পানির পরিবর্তে রেইথন কোম্পানিকে দিয়ে এই ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হতে পারে।
গতকাল (মঙ্গলবার) মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক কমিটিতে শুনানির সময় কেন্ডাল বলেন, “সর্বশেষ পরীক্ষার কোন তথ্য আমরা পাইনি। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা কেন ব্যর্থ হয়েছে সেটি জানার জন্য এই তথ্যগুলো জরুরি। বর্তমানে আমরা এগুলো সংগ্রহের চেষ্টা করছি যাতে বোঝা যায় কেন এই পরীক্ষা ব্যর্থ হয়েছে।”
গত ১৩ মার্চ দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার উপকূল থেকে আমেরিকা তাদের সর্বশেষ হাইপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। কেন্ডাল হাউস কমিটিতে শুনানি সময় সে সম্পর্কেই কথা বলেছেন। তবে তিনি সুনির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি কেন এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ব্যর্থ হয়েছে।
তার বক্তব্য আইন প্রণেতাদের কাছে বিস্ময়কর মনে হতে পারত কারণ গত সপ্তাহে মার্কিন বিমান বাহিনী একটি বিবৃতিতে দাবি করেছিল যে, ১৩ মার্চ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় বেশ কয়েকটি লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে গত সপ্তাহে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছিল গতকালের শুনানিতে কেন্ডালের বক্তব্য তার সম্পূর্ণ বিপরীত।

হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় আবারো ব্যর্থতার কথা স্বীকার করলো আমেরিকা