April 22, 2026, 11:06 am
শিরোনামঃ
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী সরকার আম রপ্তানি সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে : অর্থমন্ত্রী খাদ্যমূল্যের ওপর জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না : বাণিজ্যমন্ত্রী সরকারি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া নিষেধ নারায়ণগ‌ঞ্জে ঘাটের ইজারা নিয়ে বিএনপি-এনসিপির সংঘর্ষে ৫ জন আহত কুষ্টিয়ায় এসএসসি পরীক্ষায় গত বছরের প্রশ্ন ; কেন্দ্র সচিবসহ ৩ জনকে অব্যাহতি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী হলো বিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নীতিহীন বাহিনী : জাতিসংঘের বিশেষ দূত ট্রাম্পকে আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহারে সতর্ক করলো পাকিস্তান চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর হরমুজ অবরোধ তুলবে না যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছে : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউক্রেনের সাথে শস্য চুক্তির মেয়াদ আর বাড়াবে না রাশিয়া

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : রুশ বাহিনী ইউক্রেনে বিশেষ অভিযান শুরুর পর থেকে কৃষ্ণ সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে ইউক্রেনের গুদামগুলোতে আটকা পড়েছিল লাখ লাখ টন গম,ভুট্টা ও তেলবীজ।

আটকে পড়া এই গম-ভুট্টা ছাড়ের জন্য জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় গত বছর আগস্টে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় সমঝোতা চুক্তি করেছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। তারপর এ পর্যন্ত কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে সেই চুক্তির মেয়াদ। আগামী ১৭ জুলাই মেয়াদ শেষ হবে এই চুক্তির।

কিন্তু মস্কো আর সেই মেয়াদ বাড়াতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের মুখপাত্র ও প্রেস সেক্রেটারি দিমিত্রি পেসকভ। রুশ দৈনিক ইজভেস্তিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পেসকভ বলেন, ‘এই চুক্তির পেছনে আমাদের কিছু শর্ত ছিল। দুঃখজনক হলেও সত্য— সেসবের কোনোটিই মানা হয়নি। ভবিষ্যতে কী হবে— তা এখন বলা খুবই কঠিন; তবে আমরা বলতে পারি— মস্কো আর এই চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে আগ্রহী নয়। আমরা অনেক ভদ্রতা দেখিয়েছি, অনেক ছাড় দিয়েছি…কিন্তু আর নয়।’

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় কৃষ্ণসাগরে ইউক্রেনের বন্দর ও জাহাজ চলাচলের পথে মাইন পেতে রাখা হয়েছিল। মস্কো কিংবা কিয়েভ—কোন পক্ষ এই কাজটি করেছিল— তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়, কারণ উভয়পক্ষই এই ইস্যুতে পরস্পরের ওপর দোষ চাপিয়েছে।

যুদ্ধের কারণে একদিকে ইউক্রেনের গুদামগুলোতে আটকা পড়ে লাখ লাখ টন গম, ভুট্টা, ও সূর্যমুখীর বীজ—অন্যদিকে বিশ্বজুড়ে হু হু করে বাড়তে থাকে খাদ্যশস্য ও ভোজ্য তেলের দাম। এই পরিস্থিতিতে ২০২২ সালের আগস্টে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে ইউক্রেনের শর্ত ছিল— কৃষ্ণ সাগরের জাহাজ চলাচলের পথ থেকে সব মাইন অপসারণ করতে হবে এবং শস্যবাহী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিতে হবে।

অন্যদিকে রাশিয়ার শর্ত ছিল, ইউরোপের ধনী দেশগুলোর পাশাপাশি এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দরিদ্র দেশগুলোকেও সরবরাহ করতে হবে খাদ্যশস্য।

কিন্তু চুক্তি সম্পাদনের পর দেখা যায়, ইউক্রেনের মোট গমের আশি শতাংশেরও বেশি নিয়ে গেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। এশিয়া ও আফ্রিকার অধিকাংশ দেশ এই সরবরাহ থেকে কোনো খাদ্যশস্য পায়নি।

এই ব্যাপারটিতে যে রাশিয়া খুবই ক্ষুব্ধ— তা গত কয়েক মাস ধরেই জানান দিচ্ছে মস্কো। সম্প্রতি আফ্রিকান নেতাদের সঙ্গেও এক বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ‘ইউক্রেনের শস্য বিশ্ববাজারে পৌঁছেছে ঠিকই, কিন্তু আফ্রিকার দরিদ্র অনাহারী লোকজনের তাতে কোনো উপকার হয়নি।’ সূত্র : আরটি

আজকের বাংলা তারিখ

April ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Mar    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  


Our Like Page