May 30, 2026, 3:46 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইউরোপীয় কমিশনারসহ আরও ৪ জনকে ভিসা দিতে অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে, প্রযুক্তিগত নিয়মের কারণে তারা একজন প্রাক্তন ইউরোপীয় কমিশনার এবং আরও চারজনকে ভিসা দিতে নারাজ। তাদের ওপর অভিযোগ, তারা মার্কিন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে তাদের বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করছে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর নিষেধাজ্ঞাগুলো ঘোষণা করে এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘এই চরমপন্থী কর্মী ও অস্ত্রধারী এনজিওগুলো বিদেশী রাষ্ট্রগুলোর মাধ্যমে চাপ বাড়িয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা আমেরিকান ভাষাভাষী ও আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।’

এই পদক্ষেপটি ইউরোপীয় কমিশনের প্রাক্তন শীর্ষ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রক থিয়েরি ব্রেটনরে বিরুদ্ধে নেয়া হয়েছে। তিনি প্রায়শই ইইউ নিয়ম মেনে চলার বাধ্যবাধকতা নিয়ে ইলন মাস্কের মতো প্রযুক্তি শিল্পে বিশাল সম্পদ ও প্রভাবের অধিকারীদের সাথে দ্বন্দে লিপ্ত হতেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ব্রেটনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ))-এর ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। যা ইউরোপে পরিচালিত প্রধান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য মান আরোপ করে এমন একটি প্রধান আইন।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট অন এক্স বলেছেন যে, ‘তার দেশ ভিসা বিধিনিষেধের ‘তীব্র নিন্দা’ জানাচ্ছে এবং  তিনি আরো বলেন যে, ইউরোপ ‘তাদের ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণকারী নিয়মগুলো অন্যদের দ্বারা তাদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারে না।’

ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) মার্কিন কনজারভেটিভদের মধ্যে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। তারা এটিকে ইউরোপ ও তার বাইরে ডানপন্থী মতাদর্শের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখছে। এই অভিযোগ ইউরোপীয় ইউনিয়ন তীব্রভাবে অস্বীকার করছে।

ব্যারোট বলেন, ‘ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) ইউরোপে গণতান্ত্রিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। এর কোনো প্রকার বহির্বিভাগীয় প্রভাব নেই এবং এটি কোনোভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে প্রভাবিত করে না।’

ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্টে বলা হয়েছে, প্রধান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোকে অবশ্যই বিষয়বস্তু-নিয়ন্ত্রণ সিদ্ধান্তগুলো ব্যাখ্যা করতে হবে, ব্যবহারকারীদের জন্য স্বচ্ছতা প্রদান করতে হবে এবং গবেষকরা গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করতে পারবেন তা নিশ্চিত করতে হবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page