March 10, 2026, 5:11 am
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেপজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যানের সৌজন্য সাক্ষাৎ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে সমর্থন চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তামাকের প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দেওয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে বিএনপি সবসময় কাজ করেছে : মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী নেত্রকোনায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরবাড়ির স্বর্ণালংকার লুট করল বাবা-ছেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সালিশকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত নারায়ণগঞ্জে কর্তব্যরত পুলিশের কাছ থেকে পিস্তল ছিনতাই নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : ট্রাম্প ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিযুক্ত হলেন মোজতবা খামেনি
এইমাত্রপাওয়াঃ

উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে 

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বালাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে।
এ ধান চাষ নিচু জমিতে আবাদ করে কৃষক বিঘা প্রতি ১২ থেকে ১৪ মন পর্যন্ত ফলন পেয়েছেন। যা স্থানীয় জাতের তিগুনের চেয়েও বেশি।
কৃষকরা গোপালগঞ্জ জেলার স্থানীয় জাবরা, জৈনা, ময়নামতি ধান ও বাগেরহাট জেলার স্থানীয় জাত মন্তেশ্বরের পরিবর্তে কৃষক ব্রি-ধান-৭৬ আবাদ করে তিনগুনেরও বেশি ফলন পেয়েছেন। তাই এ জাত ছড়িয়ে দিতে পারলে আমন মৌসুমে দক্ষিণাঞ্চলের নিচু জমিতে ধানের উৎপাদন অন্তত: তিনগুন বৃদ্ধি পাবে। এ অঞ্চল খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয় গোপালগঞ্জ, বাগেরহাট ও নড়াইল জেলার ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটি সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌমুমে গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাট জেলায় বিনামূল্যে ১ হাজার ২৭০ কেজি ব্রি-ধান-৭৬ বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
বীজ দিয়ে গোপালগঞ্জ সদর, টুঙ্গিপাড়া, বাগেরহাট জেলার মংলা, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ ও শরনখোলার কৃষক ২৫৪টি প্রদর্শনী প্লটে ব্রি-ধান-৭৬ এর আবাদ করেন। ৩৩ শতাংশের বিঘায় এ ধান ১২ থেকে ১৪ মন পর্যন্ত ফলন দিয়েছে। স্থানীয় জাত জাবরা, জৈনা, ময়নামতি ও মন্তেশ্বর বিঘায় ৪ থেকে ৫ মন ফলন দিয়ে থাকে।
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া গ্রামের কৃষক আহমেদ আলী বলেন, নিচু জমিতে স্থানীয় জাত জাবরা, জৈনা, ময়নামতি চাষ করতাম। এতে বিঘা প্রতি ৪ থেকে ৫ মন ফলন পেতাম। কিন্তু এ বছর ব্রি-ধান-৭৬ আবাদ করে বিঘা প্রতি ১৩ মন ফলন পেয়েছি। লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ চাষে আশার আলো দেখছি। আমাদের এলাকার চাষিরা এত ফলন দেখে আগামী বছর ব্রি-ধান-৭৬ চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্র্তা সৃজন চন্দ্র দাস বলেন, বীজ তলায় ব্রি-ধান-৭৬ এর চারা ৩০ দিনেই ৬০ সেন্টিমিটারের চেয়েও বড় হয়। লবনাক্ত নিচু জমিতে এ ধানের চারা রোপণ করে দিতে হয়। জোয়ারভাটা সহিষ্ণু এ জাতের ধান ১৪০ দিনেই স্থানীয় জাতের তুলনায় তিনগুনেরও বেশি ফলন দেয়। দক্ষিণাঞ্চলে এ ধানের জাত ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করছি। দক্ষিণাঞ্চলে এ ধানের জাত ছড়িয়ে দিয়ে আমরা খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হব।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের গোপালগঞ্জ খামারবাড়ির উপ-পরিচালক আ. কাদের সরদার বলেন, নিচু জমিতে ব্রি-ধান-৭৬ এর বাম্পার ফলন হয়েছে। এ জাত দক্ষিণাঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের হাতছানি দিচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) বীজ সরবরাহ করলে আমরা এ জাত কৃষক র্পায়ে ছড়িয়ে দেব।
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের  গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান ও সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, লবন-জোয়ার-ভাটা সহিষ্ণু উচ্চ ফলনশীল ব্রি-ধান-৭৬ কৃষক র্পায়ে জনপ্রিয় করতে আমরা বীজ উৎপাদন বাড়াব। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে দিয়ে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আমরা নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page