August 23, 2026, 10:44 am
শিরোনামঃ
বঙ্গভবনে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করলেন রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিক মতাদর্শ নয় ; পেশাগত যোগ্যতা হবে পদোন্নতির মানদণ্ড : প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে মিয়ানমারকেই দায়িত্ব নিতে হবে : আইনমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম সহ্য করা হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে ৩ কেজি আইসসহ মিয়ানমারের নাগরিক আটক রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যা অভিযোগে ২ জন আটক ট্রাম্পের ৫০ শতাংশ শুল্কের জবাবে মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আহ্বান তেহরানের দাফনের জায়গা ফুরিয়ে যাচ্ছে গাজায় ঢাকায় মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কল্যাণ সমিতির সভা ; সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম
এইমাত্রপাওয়াঃ

দাফনের জায়গা ফুরিয়ে যাচ্ছে গাজায়

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মৃতদের দাফনের জায়গারও তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। একের পর এক কবরস্থান ধ্বংস হওয়ায় নিহতদের অনেককে এখন বাগান, তাঁবু, স্কুল, হাসপাতাল ও বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রের মতো অস্থায়ী জায়গায় দাফন করতে হচ্ছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গাজার জেইতুন এলাকার ৪০ বছর বয়সী মোহাম্মদ আল-সাওহি গত ১০ জুন গুলিতে নিহত হন। তার ছেলে ওমর বাবাকে দাফনের জন্য জেইতুন কবরস্থানে গেলে দেখতে পান, সেখানে কবরগুলো এত ঘন হয়ে গেছে যে নতুন করে দাফনের জন্য প্রায় কোনো জায়গাই অবশিষ্ট নেই। শেষ পর্যন্ত দাদার কবরেই বাবাকে দাফন করতে হয় পরিবারটিকে।

যুদ্ধের কারণে অনেক কবরের পরিচয়ও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না। কোথাও পাথর কিংবা কাগজে মৃত ব্যক্তির নাম লিখে কবর চিহ্নিত করা হচ্ছে। নির্মাণসামগ্রীর সংকট থাকায় ধ্বংস হওয়া ভবনের ইট-পাথর, কাদা ও ঢেউটিন ব্যবহার করেও অস্থায়ী কবরের চিহ্ন তৈরি করা হচ্ছে।

গাজার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর উপত্যকাটিতে ৪০টির বেশি কবরস্থান ধ্বংস হয়েছে। এর আগে গাজায় থাকা প্রায় ৬০টি কবরস্থানের অনেকগুলোই পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। ফলে যুদ্ধের মধ্যে নতুন কবরের জায়গা খুঁজে বের করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে হাসপাতালের প্রাঙ্গণে তৈরি সাতটি গণকবর থেকে ৫২৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুদ্ধের সময় অস্থায়ী বিভিন্ন স্থানে দাফন করা অনেক মরদেহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার পর পরিবারগুলো তুলে স্থায়ী কবরস্থানে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

খান ইউনিস কবরস্থানের কবরখোদক তাফেশ আবু হাতাব জানান, যুদ্ধের আগে সেখানে প্রায় ৬০টি কবর ছিল। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৬ হাজারে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের একপর্যায়ে তাকে দিনে প্রায় ৩৫টি পর্যন্ত কবর প্রস্তুত করতে হয়েছে।

গাজার কর্তৃপক্ষের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপত্যকাটিতে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

আজকের বাংলা তারিখ

August ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Jul    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  


Our Like Page