September 24, 2026, 9:11 pm
শিরোনামঃ
যশোরে ৬২ হাজার পিচ ট্যাপেনটাডোল ট্যাবলেটসহ ১জন আটক যশোরের ঝিকরগাছার ভ্যানচালক ইখলাস হত্যার ঘটনায় দু’জন আটক ; ভ্যান উদ্ধার যশোরের শার্শার নাশকতা মামলার আসামী যুবলীগ কর্মী ইমরান আটক মাগুরায় ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস এন্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে না ফেরার দেশে শার্শার আওয়ামী লীগ নেতা মফিজুর রহমান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান  বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় এমপি নজরুল আবারও ৪ দিনের রিমান্ডে ঝিনাইদহের বিষয়খালীতে সার মজুতের দায়ে ডিলারের জরিমানা পাবনায় মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব ও করণীয় শীর্ষক কর্মশালা 
এইমাত্রপাওয়াঃ

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৪২ হাজার পরিবার ; ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখের বেশি মানুষ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নোয়াখালী জেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ ৩ হাজার ১০০ মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ ঘরবাড়ি। আশ্রিত গবাদি পশুর সংখ্যা ২৪০টি।

আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

জানা গেছে, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট ও সেনবাগ উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নোয়াখালী সদর উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৩০ হাজার, সেনবাগে ৩ হাজার ৮৭০, কবিরহাটে ৩ হাজার ৬৫০, কোম্পানীগঞ্জে ৩ হাজার ৫২০, সুবর্নচরে ৫০০ এবং হাতিয়া উপজেলায় ৩০০।

বন্যায় ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে একটি, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি ঘর। জেলাজুড়ে মোট ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৪১৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াা ২৪০টি গবাদিপশু আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলার ৫৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অন্তত ২ লাখ ৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিস্ত পরিবারের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৪০ জন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের মাঝে ৫১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। যার মধ্যে কাজ করছে ২৯টি।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা শহর মাইজদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মৎস্য অফিস, জেল খানা সড়ক, পাঁচ রাস্তার মোড় ও পৌর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এখনও অনেক এলাকায় কার্যকর না হওয়ায় ঘরবাড়ি ও সড়কে পানি জমে আছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষ এবং যানবাহনের চালকদের।

সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর আজ সকাল পর্যন্ত তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে এখনো রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাসা-বাড়ির আঙিনায় পানি আছে। এ কারণে আমাদের দুর্ভোগ কমেনি।

ডুবে থাকা ড্রেন অব্যবস্থাপনার কারণে পানি ধীরগতিতে নামছে। এ কারণে বৃষ্টি কমলেও শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমেনি। জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট এখনো পানির নিচে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি বেড়েছে। আমরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কাজ করছি। এ ছাড়াও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পানি চলাচলের পথগুলো সচল করে দিয়েছেন। দ্রুতই জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page