September 1, 2026, 10:09 am
শিরোনামঃ
মাগুরায় চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে ওজোপাডিকোর লাইন সাহায্যকারীদের অনশন ও কর্মবিরতি যশোরের নাভারনের রিপনক যশোরের ঝুমঝুমপুরে ২৭ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক যশোরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলায় ১ জন আটক সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির প্রশংসা এবং আরও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মালয়েশিয়াগামী ক্ষতিগ্রস্ত ১০ হাজার কর্মীকে বিনা খরচে পাঠানোর নির্দেশ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটার ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৭ হাজার ৬৪৩ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত কিশোরগঞ্জে বরের গাড়ি থেকে কনেকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ জামালপুরে সীমান্তে ভারতে পাচারের পথে ১৩ বস্তা সার জব্দ ‘ইসলাম অন্য ধর্মের চেয়ে শ্রেষ্ঠ’ মন্তব্য, কর্ণাটকের মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিজেপির
এইমাত্রপাওয়াঃ

নোয়াখালীতে পানিবন্দি ৪২ হাজার পরিবার ; ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখের বেশি মানুষ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নোয়াখালী জেলায় টানা ভারী বর্ষণের ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ৪১ হাজার ৮৪০টি পরিবার। জেলায় মোট ৪৬৬টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ২ লাখ ৩ হাজার ১০০ মানুষ। বিধ্বস্ত হয়েছে ৪০ ঘরবাড়ি। আশ্রিত গবাদি পশুর সংখ্যা ২৪০টি।

আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

জানা গেছে, নোয়াখালী সদর, কবিরহাট ও সেনবাগ উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। নোয়াখালী সদর উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা ৩০ হাজার, সেনবাগে ৩ হাজার ৮৭০, কবিরহাটে ৩ হাজার ৬৫০, কোম্পানীগঞ্জে ৩ হাজার ৫২০, সুবর্নচরে ৫০০ এবং হাতিয়া উপজেলায় ৩০০।

বন্যায় ঘর-বাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে একটি, আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত ৪০টি ঘর। জেলাজুড়ে মোট ৪০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১ হাজার ৪১৯ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়াা ২৪০টি গবাদিপশু আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। জেলার ৬টি উপজেলার ৫৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার অন্তত ২ লাখ ৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিস্ত পরিবারের সংখ্যা ৪১ হাজার ৮৪০ জন।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের মাঝে ৫১টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। যার মধ্যে কাজ করছে ২৯টি।

জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকায় বৃষ্টির পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জেলা শহর মাইজদী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মৎস্য অফিস, জেল খানা সড়ক, পাঁচ রাস্তার মোড় ও পৌর বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এখনও অনেক এলাকায় কার্যকর না হওয়ায় ঘরবাড়ি ও সড়কে পানি জমে আছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কর্মজীবী মানুষ এবং যানবাহনের চালকদের।

সদর উপজেলার আন্ডারচর ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেন বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর আজ সকাল পর্যন্ত তেমন বৃষ্টি হয়নি। তবে এখনো রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন বাসা-বাড়ির আঙিনায় পানি আছে। এ কারণে আমাদের দুর্ভোগ কমেনি।

ডুবে থাকা ড্রেন অব্যবস্থাপনার কারণে পানি ধীরগতিতে নামছে। এ কারণে বৃষ্টি কমলেও শহরের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ কমেনি। জেলা শহর মাইজদীসহ বিভিন্ন উপজেলার নিচু এলাকার বেশির ভাগ রাস্তাঘাট এখনো পানির নিচে।

জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি বেড়েছে। আমরা বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দ্রুত পানি নিষ্কাশনে কাজ করছি। এ ছাড়াও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা পানি চলাচলের পথগুলো সচল করে দিয়েছেন। দ্রুতই জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে তিনি আশা করছেন।

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page