September 29, 2026, 2:10 pm
শিরোনামঃ
একনেকে ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের চ্যালেঞ্জ সমাধানের চেষ্টা চলছে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই : তথ্য উপদেষ্টা কিশোরগঞ্জে বাড়ির পাশের গাছে হাত-পা বাঁধা প্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুমিল্লায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জন আহত বাংলাদেশের ওষুধে ১০০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের রাশিয়ায় ১০ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে উত্তর কোরিয়া : জেলেনস্কির ইরানকে ছাড়ের প্রস্তাবের খবর অস্বীকার করলেন ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের কোনো অবকাঠামোই ইরানি হামলা থেকে নিরাপদ না : গালিবাফ যশোরে জমি বিক্রিতে কমিশন চাওয়ার অভিযোগে বিএনপি- যুবদলের ৫ নেতার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা
এইমাত্রপাওয়াঃ

ফেব্রুয়ারিতে সারা দেশে ৫৯৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭৮ জন নিহত : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : গত ফেব্রুয়ারি মাসে সারা দেশে ৫৯৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১ হাজার ৩২৭ জন। ২৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২২৭ জন, যা মোট প্রাণ হারানোর ৩৯.২৭ শতাংশ। এ ছাড়া ২টি নৌ-দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন ও ২ জন আহত হয়েছেন। ১৪টি রেল-ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৬ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৮ মার্চ) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে- মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ২২৭ জন, বাসের যাত্রী ৩৩ জন,  ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রাক্টর-ট্রলি-ড্রাম ট্রাক আরোহী ৫৬ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস আরোহী ২২ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা) ৯২ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র-টমটম-এস্কেভেটর) ২০ জন এবং বাইসাইকেল-রিকশা আরোহী ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২০৫টি দুর্ঘটনায় ১৯৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ৩৪টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় ৪১টি দুর্ঘটনায় ৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। সবচেয়ে কম মৌলভীবাজার জেলায়। এই জেলায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটলেও প্রাণহানি ঘটেনি। এছাড়া রাজধানী ঢাকায় ৩৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন ৩৬ জন আহত হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়—ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page