May 5, 2026, 10:52 am
শিরোনামঃ
ভারতের তামিলনাড়ুতে মাত্র ১ ভোটের ব্যবধানে হারলেন কেআর পেরিয়াকারুপ্পান ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা দিলো রাশিয়া ইরানকে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প তৃণমূলকে হটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ঐতিহাসিক জয় বিনিয়োগ বাড়াতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মানানসই হয়নি পুলিশের নতুন পোশাক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী এমপিরা সংসদকে প্রাণবন্ত করবেন : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি ভারতের লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ : সিআইআই পে-স্কেলের জন্য নতুন বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ময়মনসিংহে ধান ব্যবসায়ীকে গলা কেটে হত্যা
এইমাত্রপাওয়াঃ

লক্ষ্মীপুরের ইউএনওর বিরুদ্ধে কৃষকের সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে জোরপূর্বক ব্যক্তিমালিকানার কৃষি জমির মাটিকেটে আশ্রয়ণ প্রকল্প ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী।

রোববার (২৮ মে) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের একটি পত্রিকা কার্যালয়ে ভুক্তভোগী জমির মালিক ও কৃষক কার্তিক চন্দ্র অধিকারী এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় কার্তিকের ভাই বিকাশ চন্দ্র অধিকারীও উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, মাটিকেটে নেওয়ার ঘটনার বিচার চেয়ে কার্তিক অধিকারী চলতি বছরের ২ জানুয়ারি উচ্চ আদালতে আইনজীবী আবদুল্লাহ আল মাহমুদের মাধ্যমে রিট দায়ের করেন। এতে ২৫ জানুয়ারি বিচারক কেএম কামরুল কাদের ও মোহাম্মদ আলী বেঞ্চ বিষয়টি ২ মাসের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়ার জন্য লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন। কিন্তু ৪ মাস শেষ হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত মীমাংসা করে দেওয়া হয়নি। একই দাবিতে গত ১০ মে কার্তিক ফের জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। একাধিকবার আবেদন করলেও জেলা প্রশাসক কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে জানান ভুক্তভোগী কার্তিক ও তার ভাই বিকাশ চন্দ্র অধিকারী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর রইছা খাতুনের কাছ থেকে কার্তিক চন্দ্র অধিকারীর দাদা কৃষ্ণ চন্দ্র অধিকারী রামগতির চরগাজী ইউনিয়নের দক্ষিণ টুমচর মৌজায় ১০ একর ৩৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। এসএ খতিয়ানেও কৃষ্ণ চন্দ্রের নামেই জমিটি রেকর্ডভুক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি ওই জমির খাজনা পরিশোধ করেছেন। পরবর্তীতে ওয়ারিশ সূত্রে কৃষ্ণ চন্দ্রের ছেলে হরিহর অধিকারী ও ইন্দুভোষণ অধিকারী জমির মালিক হন। এর মধ্যে হরিহর ৪ একর ৬০ শতাংশ জমির মালিক হয়েছেন। হরিহরের মৃত্যুর পর তার ৩ ছেলে কার্তিক, বিকাশ ও কানু লাল অধিকারী ওই জমির মালিক হন। এর মধ্যে ইন্দুভোষণের নামে কিছু জমি খাস খতিয়ানে চলে যায়। এ নিয়ে তিনি ২০২০ সালে ৮ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে ২০২২ সালে মার্চ মাসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম শান্তুনু চৌধুরী, সাবেক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রবিউল হাসান কাজলের নির্দেশনায় ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মো. সানা উল্যা, চরগাজী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য নাছির উদ্দিন, নারী সদস্য মনোয়ারা বেগমের স্বামী মামুন মিয়া ও দেলোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তি ৭০ শতাংশ জমি থেকে মাটি কেটে নিয়ে যায়। কিন্তু এ জমি খাস ছিল না। এ জমির মালিক কার্তিক ও তার দুই ভাই। জমিগুলো তারা বর্গা চাষিদের মাধ্যমে চাষাবাদ করে আসছিলেন। মাটিকেটে নেওয়ার সময় চাষিরা বাধা দিলে তাদেরকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয়।

কার্তিক চন্দ্র অধিকারী বলেন, আমাদের জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল চাষ হতো। কিন্তু মাটিকেটে নেওয়ায় ওই জমিটি এখন পুকুরে পরিণত হয়েছে। চাষাবাদ বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা এর বিচার চাই।

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী জমিটি সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত। খাস জমি থেকে আমরা মাটিকেটে আশ্রয়ণ প্রকল্প ভরাট করেছি। আমরা মালিকানাধীন কারো জমির মাটি কাটিনি। আমাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। ওই জমির পাশে ৭০টি ঘর নির্মাণ করা হয়। এখন ১৬টি ঘরের নির্মাণকাজ চলছে।

আজকের বাংলা তারিখ

May ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Apr    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১


Our Like Page