March 11, 2026, 10:52 am
শিরোনামঃ
মন্ত্রী-এমপিদের চলনে-বলনে মার্জিত থাকতে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার বেশ কিছু ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ অধিবেশন ঘিরে আশপাশে সভা-সমাবেশ ও অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ ঢাকা-১৩ আসনের নির্বাচনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মামুনুল হকের রিট ভোট কারচুপির অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করলেন ৫ আসনের প্রার্থী ময়মনসিংহে ধানক্ষেত থেকে নবজাতক কন্যা উদ্ধার মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র ৪০ বসতঘরে আগুন ও লুটপাট করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি করেছে সৌদি আরব ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানিয়েছে উত্তর কোরিয়া
এইমাত্রপাওয়াঃ

সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু ; মানতে হবে ইসির আচরণবিধি

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।

সারাদেশে ২৯৮টি নির্বাচনী এলাকায় মোট ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ থেকে শুরু হওয়া এই প্রচারণা চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত। অর্থাৎ ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা আগে সকল প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা সমাপ্ত করতে হবে।

তবে প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীরা ‘রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫’ মেনে চলতে বাধ্য থাকবেন।

নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচারণার ক্ষেত্রে সকল প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। তবে প্রতিপক্ষের জনসভা, শোভাযাত্রা বা কোনো প্রচারাভিযানে বাধা প্রদান, ভীতি সঞ্চার বা বিশৃঙ্খলা করা যাবে না।

প্রচারণার কর্মসূচির প্রস্তাব আগেভাগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে, যাতে তারা প্রয়োজনে একাধিক প্রার্থীর কর্মসূচির মধ্যে সমন্বয় করতে পারেন।

জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এমন কোনো সড়ক বা জনপথে সভা-সমাবেশ করা যাবে না। এছাড়া দেশের বাইরে বা বিদেশের মাটিতে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণা চালানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

লিফলেট, পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এবার কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসি। প্রচারণায় কোনো ধরনের পোস্টার বা অপচনশীল দ্রব্য যেমন— পলিথিন, প্লাস্টিক বা রেক্সিন ব্যবহার করা যাবে না। দেয়াল, গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি কিংবা সরকারি-বেসরকারি কোনো যানবাহনে লিফলেট বা ফেস্টুন সাঁটানো নিষিদ্ধ।

ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ব্যতীত নির্বাচনি প্রচারণায় ব্যবহার করা ব্যানার ও ফেস্টুন হতে হবে সাদা-কালো রঙের। ব্যানার সর্বোচ্চ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট এবং ফেস্টুন ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি আকারের হতে হবে। এগুলোতে প্রার্থী নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির ছবি ব্যবহার করতে পারবেন না।

এছাড়া কোনো দেয়ালে লিখে বা অংকন করে প্রচারণা চালানো যাবে না এবং কোনো প্রকার গেইট বা তোরণ নির্মাণ করাও নিষিদ্ধ।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এর উপর অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড টাঙ্গানো যাবে না, এবং ওই ফেস্টুন, ব্যানার ও বিলবোর্ড এর কোন প্রকার ক্ষতিসাধন, বিকৃতি বা বিনষ্ট করা যাবে না।

পরিবহন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, ট্রাক, বাস, নৌযান বা মোটরসাইকেল নিয়ে কোনো মিছিল, জনসভা বা শোডাউন করা যাবে না। মশাল মিছিলও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

দলীয় প্রধান বা সাধারণ সম্পাদক যাতায়াতের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারলেও সেখান থেকে কোনো লিফলেট বা কোন প্রচার সামগ্রী নিক্ষেপ করা যাবে না।

প্রচারণার জন্য বিলবোর্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও তার আয়তন হতে হবে অনধিক ১৬ ফুট বাই ৯ ফুট। অথবা ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড প্রতি একটি এবং একটি সংসদীয় আসনে সর্বোচ্চ ২০টির বেশি বিলবোর্ড ব্যবহার করা যাবে না।

ডিজিটাল প্রচারণার ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (এআই) ব্যবহার করে কারো চেহারা বিকৃত করা, ভুল তথ্য বা ঘৃণাত্মক বক্তব্য ছড়ানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচন সংক্রান্ত কোন কনটেন্ট শেয়ার ও প্রকাশ করা যাবে না।

প্রার্থী ও তার নির্বাচনী এজন্টেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আইডি সংক্রান্ত তথ্য প্রচার-প্রচারণার আগেই রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

ব্যক্তিগত কুৎসা রটনা, অশালীন বক্তব্য, নারী, সংখ্যালঘু বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে প্রার্থীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মসজিদ, মন্দির, গির্জা বা প্যাগোডার মতো উপাসনালয় এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না।

এছাড়া দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩টি মাইক্রোফোন বা লাউড স্পিকার ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যার শব্দের মানমাত্রা ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে থাকতে হবে।

ইসি সচিবালয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা-১ ও ২ আসন ব্যতীত ২৯৮টি আসনে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৯৮১ জন প্রার্থী। এর আগে ৩০০ আসনে ২ হাজার ৫৮০টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল, যার মধ্যে ১ হাজার ৮৫৫টি বৈধ এবং ৭২৫টি বাতিল হয়। পরবর্তীকালে আপিল শুনানি শেষে ৪৩৭ জন প্রার্থিতা ফেরত পান এবং মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

আজকের বাংলা তারিখ

March ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Feb    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  


Our Like Page