May 29, 2026, 3:26 pm
শিরোনামঃ
অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে : আইনমন্ত্রী বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট হবে জনবান্ধব : অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ঝিনাইদহে মোটরসাইকেলের হর্ন বাজানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুর থেকে সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার জাতিসংঘে ব্ল্যাকলিস্টে হলো ইসরায়েল ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো জাপান বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের বৈধতা সংকট থাকলেও ভারতে নেই : নেতানিয়াহু বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র দ্বারা সুগম হবে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ : স্পিকার
এইমাত্রপাওয়াঃ

ভারতীয় আম আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলো জাপান

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : দীর্ঘ দুই দশক পর আবারও ভারতীয় আম আমদানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পূর্ব এশিয়ার দেশ জাপান। ক্ষতিকর পোকা দমনের প্রক্রিয়ায় গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়ার পর নেওয়া এই সিদ্ধান্তে ভারতের প্রিমিয়াম জাতের আম রপ্তানি এক বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে।

বিশেষ করে আলফোনসো, কেসর, ল্যাংড়া ও ভাঙ্গানাপাল্লীর মতো বিশ্বখ্যাত এবং জনপ্রিয় জাতের আমের বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

চলতি বছরের শুরুতে ভারতের একটি বিশেষ শোধন কেন্দ্রে পরিদর্শনের সময় জাপানি কোয়ারেন্টাইন কর্মকর্তারা ক্ষতিকর পোকা দমন ব্যবস্থায় মারাত্মক গাফিলতি খুঁজে পান। এর পরপরই জাপান সরকার ভারতীয় আম আমদানিতে এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অবস্থান নেয়।

মূলত ফল মাছি বা ফ্রুট ফ্লাই এবং অন্যান্য আক্রমণাত্মক ক্ষতিকর পোকামাকড়কে নিজেদের কৃষির জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে জাপান। এই কারণে আমদানিকৃত ফলের ক্ষেত্রে দেশটির কোয়ারেন্টাইন বিভাগ ‘জিরো-টলারেন্স’ বা শূন্য-সহনশীলতা নীতি কঠোরভাবে কার্যকর রেখেছে।

গত মার্চে ভারতের উত্তর প্রদেশের রহমানপুরে অবস্থিত একটি ‘ভেপার হিট ট্রিটমেন্ট’ বা ভিএইচটি কেন্দ্র পরিদর্শন করে জাপানি কোয়ারেন্টাইন বিভাগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। এই বিশেষ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়াই নিয়ন্ত্রিত গরম ও আর্দ্র বাতাসের মাধ্যমে আমের ভেতরের পোকা বা লার্ভা সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়, যা জাপানে আম রপ্তানির অন্যতম বাধ্যতামূলক শর্ত। তবে পরিদর্শনে কেন্দ্রটির ধোঁয়াকরণ ও আন্তর্জাতিক মানের জীবাণুমুক্তকরণ প্রক্রিয়ায় একাধিক বড় ধরনের ঘাটতি ও ত্রুটি ধরা পড়ে।

এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের ইয়োকোহামা প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশন আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, ২০২৬ সালের ২৫ মার্চের পর ইস্যু করা শংসাপত্রধারী কোনো ভারতীয় আমের চালান তারা তাদের বন্দরে গ্রহণ করবে না।

কৃষি অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জাপান ভারতের সবচেয়ে বড় আমের বাজার না হলেও এটি ছিল দেশটির অন্যতম লাভজনক ও উচ্চ-মূল্যের বাজার। ফলে আকস্মিক এই নিষেধাজ্ঞা ভারতীয় আমচাষি ও শীর্ষ রপ্তানিকারকদের জন্য চলতি গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে একটি বড় আর্থিক ক্ষতি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page