September 17, 2026, 11:39 am
শিরোনামঃ
গুলশান-ধানমণ্ডি- নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে বিনিয়োগ বাড়াবে সরকার : পর্যটনমন্ত্রী ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিতে ‘ভূমি দৃষ্টি অ্যাপ’ উদ্বোধন স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানের ভবনে বসাতে হবে সৌর প্যানেল টাঙ্গাইলে শিশুপুত্রকে কুপিয়ে হত্যা করলেন মা শরীয়তপুরে কবরস্থানের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে অটোচালককে কুপিয়ে হত্যা মরক্কোর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করছে ইসরায়েল রাশিয়ার জ্বালানি-প্রতিরক্ষা খাতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে পরাজয় ঢাকতে হলিউডি সিনেমার মতো গল্প তৈরি করে যুক্তরাষ্ট্র : আইআরজিসি  যশোরে এজলাস কক্ষ থেকে মামলার নথি চুরির দায়ে আইনজীবী আটক
এইমাত্রপাওয়াঃ

দেশের পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে বিনিয়োগ বাড়াবে সরকার : পর্যটনমন্ত্রী

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপ দিতে সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রাশিদুজ্জামান মিল্লাত।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় তিন দিনব্যাপী ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, নদী, পাহাড়, সমুদ্র, বন, চা-বাগান, জলাভূমি, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যসহ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই নিজস্ব পর্যটন সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে বিচ্ছিন্নভাবে না রেখে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, পর্যটনের সম্ভাবনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পর্যটন আকর্ষণকে কাজে লাগিয়ে একটি সমন্বিত ও টেকসই পর্যটন শিল্প গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এ জন্য বিভিন্ন শ্রেণির পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরির কাজ চলছে।

পর্যটন খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেও এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাশাপাশি কমিউনিটির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পর্যটন খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যেতে হবে।

কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। দীর্ঘ সমুদ্রসৈকতকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারকে আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। নতুন কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম উদ্দেশ্য বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করা।

সুন্দরবন নিয়েও বড় ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পিপিপি মডেলে সুন্দরবনকে ঘিরে কার্যক্রম নেওয়া গেলে পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সম্ভব।

মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন উন্নয়ন বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পাশাপাশি অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের অংশ। এ খাতের অবদান আরও বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন, উদ্ভাবনী ও ব্যয়-সাশ্রয়ী ধারণা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে পর্যটন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, উন্নয়ন সহযোগী ও বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ ট্যুরিজম ফেয়ার চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে। বাংলাদেশসহ ১০টি দেশের দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩০০টি বুথে এতে অংশ নিচ্ছে।

 

 

আজকের বাংলা তারিখ

September ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Aug    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  


Our Like Page