July 30, 2026, 8:50 pm
শিরোনামঃ
যশোরের শার্শায় আওয়ামী লীগ নেতা নাসির উদ্দীন আটক ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা ভূমি অফিসের নাইটগার্ড ও প্রসেস সার্ভারের মিস কেস বানিজ্য ; দ্রুত বদলী দরকার ভোল পাল্টে এখন সবাই জুলাইযোদ্ধা : মির্জা ফখরুল সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও বিক্রিতে লাগবে বাবা-মায়ের সম্মতি : আইনমন্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের সিজারে নিরুৎসাহিত করতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মাঠ থেকে পাঁচতারকা হোটেল কর্মচারীর মরদেহ উদ্ধার গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা ; সারজিস আলমের গাড়ি ভাঙচুর টোকিওর বিকল্প রাজধানীর খুঁজছে জাপান ইসরায়েলে গেছে কয়েক লাখ ভারতীয় অস্ত্র-গোলাবারুদ যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের আলোচনা এখনো চলমান : পাকিস্তান
এইমাত্রপাওয়াঃ

মেহেরপুরে সহোদর দুই ভাই হত্যা মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মেহেরপুরের গাংনীর কাজিপুর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও আবু জেলে নামের দুই সহোদর হত্যা মামলায় ৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (২এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক রিপতি কুমার বিশ্বাস এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গাংনী উপজেলার কাজিপুর গ্রামের কিয়ামতের ছেলে হালিম (৩৫), আছের উদ্দীনের ছেলে আতিয়ার (৪০), নজির আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম (৪০), মৃত দবীর উদ্দীনের ছেলে শরিফ (৪০) ও ফরিদ (৪৫), আব্দুল জলিলের ছেলে জালাল উদ্দীন (৪৩), আফেল উদ্দীনের ছেলে আজিজুল (৩৬), মুনছারের ছেলে মনি (২৫), নজির উদ্দীনের ছেলে দবির উদ্দীন (৩২)।

এর মধ্যে জালাল উদ্দীন পলাতক রয়েছে। বাকিরা রায় প্রদানের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি ৫ জন আরিফ, রাজিব, আলমেস, হারুন ও ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ৫ জুন কাজীপুর গ্রামের একটি মাঠ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ফেন্সিডিল উদ্ধার করে বিজিবি। বিজিবিকে ফেন্সিডিল ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে রফিকুল ইসলাম ও আবু জেলের নামে। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে রফিকুল ইসলামকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন অভিযুক্তরা। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রফিকুলকে উদ্ধার করে। ১৫ জুন রাত ১০টার দিকে বিষয়টি মিমাংসার জন্য ওই দুই ভাইকে ডেকে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। তারপর থেকেই ওই দুজন নিখোঁজ।

এদিন ভোর রাতে কাজীপুর গ্রামের ভারতীয় সীমান্ত মেইন পিলার ১৪৫ এর সাব পিলারের এর পাশে ওই দুই ভাইয়ের ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই দুই ভাইয়ের বোন জরিনা বেগম গাংনী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তভার পড়ে তৎকালীন গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামানের হাতে। ২০১২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তিনি। এ মামলায় তিন জন আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকাক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এই মামলায় ৯ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট কাজী শহীদুল হক ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট এ.কে.এম শফিকুল আলম, অ্যাডভোকেট আতাউল গনি আন্টু।

এ মামলার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কাজী শহীদুল হক। তিনি বলেন, এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক রায়। এ রায় নজির হয়ে থাকবে। কারণ মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও রয়েছে।

অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এ.কে.এম শফিকুল আলম বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নয়। ন্যায় বিচারের জন্য উচ্চতর আদালতে আপিল করব।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page