May 30, 2026, 7:14 pm
শিরোনামঃ
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে : রাষ্ট্রপতি নিজ নিজ অবস্থান থেকে রাষ্ট্র গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বিএনপি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শহীদ জিয়ার বিখ্যাত বেতার ভাষণ জনগণকে উদ্দীপ্ত করেছিল : ভারতীয় হাইকমিশন কুষ্টিয়ায় শিশুকে নদে ফেলে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের ফরিদপুরে সরকারি চাল বিতরণ নিয়ে দুই দফা সংঘর্ষে আহত ৩০ চুক্তি না হলে আবার ইরানে হামলা শুরু করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অমরত্বের সন্ধানে ২৬ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে রাশিয়া ইরানে খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে অধিকার রক্ষায় সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : মির্জা ফখরুল
এইমাত্রপাওয়াঃ

ক্যান্সার প্রতিরোধী ধান আবাদে সফল যশোরের ঝিকরগাছার কৃষক আলামিন

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : প্রথমে দেখে মনে হতে পারে ধানগুলো বুঝি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে! ধানের এমন বর্ণ স্থানীয় কৃষকদের মাঝে তৈরি করেছে নানা কৌতূহল। বস্তুত এটা উচ্চ ফলনশীল ক্যান্সার প্রতিরোধী ধানের জাত।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিমুলিয়া ইউনিয়নের আন্দোলপোতা গ্রামে প্রথমবারের মতো আবাদ হচ্ছে ক্যান্সার প্রতিরোধী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পুষ্টি সমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল ধান। ভিয়েতনামের ব্ল্যাক রাইস (কালো ধান-কালো ভাত) জাতের ধান চাষ করেছেন কৃষক আলামিন গাজী।

তার এসব প্রজাতির ধান চাষ দেখে আগ্রহী হচ্ছেন অন্য অনেক কৃষক। এ ধরণের ধান চাষে তেমন কোনো রোগবালাই না থাকায় ভালো ফলনের আশা কৃষক আলামিনের।

এমন জাতের ধান চাষের বিষয়ে জানতে চাইলে আলামিন গাজী বলেন, কৃষক পরিবারের সন্তান আমি। ছোট থেকেই কৃষি কাজে আগ্রহী। বর্তমানে ব্যবসার পাশাপাশি কয়েক মৌসুমে ধান চাষ করছি। গত বছর ইউটিউবে কালো ভাতের এই কালো বর্ণের ধানের ভিডিও দেখে বগুড়া থেকে তিন কেজি বীজ ধান সংগ্রহ করে বীজ তলা তৈরি করে চারা উৎপাদন করে ২০ শতক (১২ কাঠা) জমিতে চাষ করেছি।

আলামিন আরও বলেন, প্রথমে শখের বসে পরীক্ষামূলক আবাদ করা। এলাকার চাষীরা নানা ঝুঁকির কথা বললেও বর্তমান ফলন ভালো বা উচ্চ ফলনের আশা দেখছি। তাছাড়া অন্যান্য ধান চাষের তুলনায় ব্ল্যাক রাইসে রোগ বালাই ও খরচ কম হওয়ার ফলে এলাকার অন্যান্য চাষীরাও আগ্রহী হচ্ছেন। আশা করছি, বাজারে চাহিদা থাকলে ভালো লাভবান হওয়া সম্ভব।

এলাকায় নতুন জাতের ধান চাষে সম্পর্কে স্থানীয় কয়েকজন কৃষকরা জানান, প্রথমে যখন এই ধান রোপণ করা হয় তখন দেখেছি ধানের রঙটা লালচে ধরণের। পরিণত ধানের বর্ণ অনেকটা এমন যে, সাধারণত ধান পুড়ে গেলে যে কালছে রঙ হয়, সে রঙ ধারণ করেছে। প্রথমে ভেবেছিলাম ধানগুলো হয়তো পুড়ে গেছে। তবে এখন দেখছি এ ধানের রঙটাই এমন।

শুনেছি এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি এবং দামও নাকি অনেক বেশি। আগামীতে আমরাও লাগাবো এসব ধান। তবে এর জন্য কৃষি সম্প্রসারণের সার্বিক সহযোগিতার প্রয়োজন বলেও জানান কৃষকরা।

এ বিষয়ে ঝিকরগাছা উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, নতুন জাতের এই ব্ল্যাক রাইস ধান চাষের বিষয়টি বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেছি। ধান চাষীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ধানের মাঠ পরিদর্শনের পর ফলন ও সার্বিক বিষয়ে জানানো যাবে।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page