28 Feb 2025, 01:18 am

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক :  হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বৃহস্পতিবার গাজা উপত্যকায় পানির অবকাঠামো ধ্বংস ও বেসামরিক লোকদের সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে গণহত্যামূলক কার্যকলাপের জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছে।

জেরুজালেম থেকে এএফপি জানায়, বিশেষভাবে পানি সমস্যার ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে নিউইয়র্ক-ভিত্তিক এই মানবাধিকার সংস্থা তাদের নতুন প্রতিবেদনে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করে বলেছে যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড গাজাবাসীকে পানি থেকে বঞ্চিত করার লক্ষ্যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাকৃত একটি পদ্ধতিগত প্রচেষ্টা, যা সম্ভবত হাজার হাজার মানুষের মৃতুর কারণ এবং ভবিষ্যতেও আরো মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজা উপত্যকায় বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় পর্যাপ্ত পানি পেতে ফিলিস্তিনিদের ইচ্ছাকৃতভাবে বাধাগ্রস্ত করেছে।’ রিপোটে বলা হয়, এ ছাড়া সোলার প্যানেল পাওয়ারিং ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট,  জলাধার ও  খুচরা যন্ত্রাংশের গুদাম ও সেইসাথে জেনারেটর চালাতে ব্যবহার্য জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করাসহ পানি ও স্যানিটেশন অবকাঠামোর ইচ্ছাকৃত ক্ষতিসাধন করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েল বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ , মেরামত কর্মীদের ওপর হামলা এবং মেরামত সামগ্রী আমদানিও বাধাগ্রস্ত করেছে।

প্রতিবেদনে উপসংহারে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসরায়েল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে গাজার ফিলিস্তিনি জনসংখ্যার অস্তিত্ব আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংসের প্রচেষ্টা চালিয়েছে। তবে ইসরায়েল গাজায় তাদের ইচ্ছাকৃত ধ্বংসযজ্ঞের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। অবরুদ্ধ অঞ্চলে সহায়তা পৌঁছানোর সুবিধা দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছে।

প্রায় এক বছর ধরে তৈরি করা এইচআরডব্লিউ প্রতিবেদনটি কয়েক ডজন গাজাবাসী, পানি ও স্যানিটেশন কর্মী, চিকিৎসক এবং সাহায্য কর্মীদের সাথে সাক্ষাৎকারের পাশাপাশি স্যাটেলাইট চিত্র, ছবি, ভিডিও এবং ডেটা বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এটি বলেছে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তথ্যের জন্য অনুরোধ জানালে তার জবাব দেয়নি।

এইচআরডব্লিউ জানিয়েছে, পানির অভাব ও পানিবাহিত রোগ গাজাবাসীর জনজীবনকে জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। অধিকার গোষ্ঠীটি ইসরায়েলকে গাজায় পর্যাপ্ত পানি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজায় ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম সৃষ্ট গণহত্যা প্রতিরোধে সব ধরনের ব্যবস্থা  নেওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এর মধ্যে  সামরিক সহায়তা ও অস্ত্র বিক্রি বা স্থানান্তর বন্ধ, লক্ষ্যবস্তুভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

গাজায় পানি অবকাঠামো ধ্বংসে ইসরায়েরের প্রচেষ্টার প্রতি নিষেধাজ্ঞা চায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

বশির আল মামুন, চট্টগ্রাম : কক্সবাজারের পেকুয়ায় ডাম্প ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক সন্তান সহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন দুজন। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে পেকুয়া এবিসি আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনিয়াকাটা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, অটোরিকশাচালক পেকুয়ার ধনিয়াকাটার ছৈয়দ আলমের ছেলে মনিরুল মান্নান, চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকার ফিরোজ ও তার স্ত্রী শারমিন এবং তাদের শিশু সন্তান। নিহত অপরজনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
মেঘনা সেতুতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুই বন্ধু নিহত
কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসিম উদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল ৭টার দিকে পেকুয়া এবিসি এলাকায় মিনি ট্রাক (ডাম্প ট্রাক) ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ৫ জন নিহত হয়। আরও দুইজন আহত হন। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুইটি জব্দ করা হয়েছে।

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ডাম্প ট্রাক ও অটোরিকশা সংঘর্ষে স্বামী- স্ত্রী-সন্তানসহ ৫ জন নিহত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ভাটেরচর এলাকায় গতরাতে আলী আহম্মেদ মার্কেটে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ টি দোকান ভস্মীভূত এবং ১০টি দোকান আংশিক পুড়ে গেছে ।

বুধবার, রাত তিনটায়, ভাটেরচর এলাকায় আলী আহম্মেদ মার্কেটে প্রথম অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে আগুনের লেলিহান শিখা, আলী আহম্মেদ মার্কেট এবং আশ পাশ এলাকায় ছড়িয়ে পরে। স্থানীয়রা প্রথমে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। পরে খবর পেয়ে গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দেড় ঘন্টা কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। গজারিয়া ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ রিফাত মল্লিক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আলী আহম্মেদ মার্কেটে বিদুৎ মিটারে ইলেকট্রিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১৫ টি দোকান পুড়ে গেছে। ১০টি দোকান আংশিক পুড়েছে । ক্ষয় ক্ষতির পরিমান প্রায় এক কোটি টাকা। কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মুন্সীগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে ১৫টি দোকান ভস্মীভূত

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর একটি স্পিডবোটের সঙ্গে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। নৌ বাহিনী জানিয়েছে, স্পিডবোটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে যাত্রীবাহী একটি ফেরির সঙ্গে প্রচন্ড বেগে সংঘর্ষ হয়।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতের সরকারি বার্তা সংস্থা ‘এএনআই’ আজ এই খবর জানিয়েছে।

নৌ বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা এবং সরঞ্জাম প্রস্তুতকারকের দুই ব্যক্তিসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন।

ফেরি থেকে দুর্ঘটনার একটি ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। ফেরিতে ১১০ জন যাত্রী ছিলেন। স্পিডবোটে ছিলেন ৫ জন।

দুর্ঘটনায় ফেরির ১০ জন যাত্রী নিহত হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে বেঁচে যাওয়া দুই যাত্রীসহ বাকি ১০২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

নৌ বাহিনীর বিবৃতিতে আরো জানানো হয়েছে, ‘গতকাল বুধবার আনুমানিক বিকেল ৪টার দিকে নৌবাহিনীর স্পিডবোটের ইঞ্জিন পরীক্ষা চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুম্বাইয়ের কারঞ্জার কাছে নীল কমল নামের একটি যাত্রীবাহী ফেরির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ফেরিটি গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া থেকে এলিফ্যান্টা দ্বীপে যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল।’

দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পর ফেরির সঙ্গে স্পিডবোটের সংঘর্ষের ভিডিও প্রকাশ্যে আসে।

এই দুর্ঘটনায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

এদিকে একজন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের সদস্যরা ১১টি নৌ বাহিনীর নৌকা, মেরিন পুলিশের তিনটি নৌকা এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি নৌকা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে।

এছাড়া চারটি হেলিকপ্টার, পুলিশ কর্মী, জওহরলাল নেহরু বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মীরা এবং এলাকার জেলেরা উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়।

 

মুম্বাইয়ের উপকূলে ভারতীয় নৌ বাহিনীর স্পিডবোটের সঙ্গে ফেরির সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত