May 28, 2026, 9:11 pm
শিরোনামঃ
বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্র দ্বারা সুগম হবে অর্থনৈতিক মুক্তির পথ : স্পিকার দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি : অর্থমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প নামে ভাইরাল মহিষটি বিরল অ্যালবিনো প্রজাতির বগুড়ায় ঈদের দিন স্বামীর হাতে স্ত্রী খুন শরীয়তপুরে ৩০ গরুসহ নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার প্রথমবারের মতো এআই পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালালো উত্তর কোরিয়া ভারতে নিজস্ব স্টেলথ যুদ্ধবিমান তৈরির উদ্যোগ ৮৮ দিন পর ইন্টারনেট সংযোগ চালু করল ইরান
এইমাত্রপাওয়াঃ

ইভিএমের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : নির্বাচন ইভিএমে করতে চেয়েছিলাম উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এতে সবাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দিতে পারতো, ফলাফলও সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যেতো। কিন্তু এটি নিয়ে এত আলোচনা-সমালোচনা, আমরা বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।

সোমবার (১৩ মার্চ) বিকালে গণভবনে কাতার সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সামনে নির্বাচন। ৭৫ সালের পর যে ধরনের নির্বাচন হয়েছে আর আমরা ক্ষমতায় আসার পর থেকে যে নির্বাচন হয়েছে—তাতে করে অন্তত তখনকার মতো ভোট চুরি, কেন্দ্র দখল, কারচুপির সুযোগ এখন নেই। এখন ছবিসহ ভোটার তালিকা, আইডি কার্ড হয়ে গেছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স আছে, সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভরে ফেলার সুযোগ নেই। ইভিএম করতে চেয়েছিলাম, কারণ সবাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভোট দিবে, সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল পাবে। এখন এসব নির্বাচন কমিশনের ওপর, তারা যতটুকু পারে করবে। পুরোটা করতে পারলে ভালো হতো, অন্তত মানুষ তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারতো, একটা আধুনিক পদ্ধতি মানুষ ব্যবহার করতে পারতো। সেটা নিয়ে এত আলোচনা-সমালোচনা, আমরা এই বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের ওপর ছেড়ে দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, স্থিতিশীলতার জন্য দরকার অবাধ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন করে দিয়েছে। সেই আইনের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের স্বাতন্ত্র্য আমরা দিয়ে দিয়েছি। নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ অবাধ নিরপেক্ষ করে গড়ে দিয়েছি, যাতে জনগণের ভোটের অধিকার জনগণ প্রয়োগ করবে। জনগণ যাকে খুশি ভোট দিবে- এটা আমাদেরই স্লোগান। ‘আমার ভোট আমি দিবো, যাকে খুশি তাকে দিবো’—আমরা যে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করেছি তার লক্ষ্য ছিল জনগণের ভাতের অধিকার, নিরাপত্তা, জীবনমান উন্নত করা। সেই ভোট-ভাতের আন্দোলন কিন্তু আমাদেরই করা। আমাদের আন্দোলন, রাষ্ট্র পরিচালনায় যে যে কথা আমরা দিয়েছি, আমরা তা রেখেছি।

তিনি বলেন, মাঝখানে করোনাভাইরাস আর ইউক্রেন যুদ্ধ যদি না হতো আমাদের প্রবৃদ্ধি ৮ ভাগের ওপরে ছিল, আমরা এগিয়ে যেতে পারতাম। আমাদের দারিদ্র্যের হার ২০ ভাগে নামিয়ে এনেছিলাম। আজকে যদি করোনা আর যুদ্ধকালীন সময় না থাকতো আরও ২-৩ শতাংশ দারিদ্র্য কমিয়ে আনতে পারতাম। নানা কারণে হয়তো হয়নি, তবে এখানে থেমে থাকলে হবে না, হতাশাগ্রস্ত হলে হবে না। আমি কখনও হতাশায় ভুগি না। একটা আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলি, আমার তো হারানোর কিছু নেই।

আজকের বাংলা তারিখ



Our Like Page