October 27, 2026, 6:05 am
শিরোনামঃ
যশোরের শার্শায় মহাসড়কে ২৪ লাখ টাকার স্বর্ণের বারসহ ১ জন আটক যশোরে পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মা-ছেলে নিহত ; আহত স্বামী ইয়োহেই সাসাকাওয়ার আমন্ত্রণে টোকিওতে নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবপাচার প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনলাইন টিকিটের কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ কঠিন : রেলমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জুলাইয়ে ‘কোটা’ ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিল : আইনজীবী নারায়ণগঞ্জে স্ট্যান্ড দখল নিয়ে অটোরিকশাচালকদের দুপক্ষের সংঘর্ষে ১৫ জন আহত রংপুরে শিক্ষকের ছেলেকে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে হত্যার অভিযোগ সৌদি-তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে ইরান নোবেল না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ, নরওয়েকে ‘জঘন্য দেশ’ বলে আখ্যা ট্রাম্পের
এইমাত্রপাওয়াঃ

বিশ্বব্যাপী রেকর্ড ১২ কোটি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত : জাতিসংঘ

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : জাতিসংঘ বৃহস্পতিবার বলেছে, একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে যুদ্ধ, সহিংসতা এবং নিপীড়নের কারণে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ কোটি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। জাতিসংঘ ক্রমবর্ধমান সংখ্যাটিকে ‘বিশ্বের রাষ্ট্র সমুহের উপর ভয়ঙ্কর অভিযোগ’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর বলেছে, বিশ্বব্যাপী জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি আবার পূর্বের সকল রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গাজা, সুদান এবং মিয়ানমারের মতো জায়গায় সংঘাতের ফলে আরও বেশি লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে।
ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত জনসংখ্যা এখন জাপানের সমতুল্য।
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক প্রধান ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘সংঘাত এখনও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির একটি বড় ধরনের কারণ’।
ইউএনএইচসিআর এক প্রতিবেদনে বলেছে গত বছরের শেষে, ১১৭.৩ মিলিয়ন মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
এবং এপ্রিলের শেষের দিকে, সংখ্যাটি আরও বেড়ে গিয়েছিল। বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ১২ কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বসবাস করছে।
সংস্থাটি বলেছে, সংখ্যাটি এক বছর আগের ১১ কোটি থেকে বেড়েছে এবং টানা ১২ বছর ধরে বেড়ে চলেছে। নতুন এবং পরিবর্তনশীল সংকটের সংমিশ্রণ এবং দীর্ঘস্থায়ী সমস্যাগুলোর সমাধানে ব্যর্থতার মধ্যে ২০১২ সাল থেকে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে।
গ্র্যান্ডি এএফপি’কে বলেছেন, আট বছর আগে যখন তিনি চাকরিটি নিয়েছিলেন তখন উচ্চ স্থানচ্যুতির পরিসংখ্যানে তিনি হতবাক হয়েছিলেন।
গ্র্যান্ডি সঙ্কটের একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির দিকে ইঙ্গিত করেছেন এবং জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে জনসংখ্যার আন্দোলনকে প্রভাবিত করছে এবং সংঘাতের দিকে পরিচালিত করছে তাও তুলে ধরেছেন।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইউএনএইচসিআর গত বছর ২৯টি দেশে ৪৩টি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে, যা কয়েক বছর আগে ছিল তার চার গুণেরও বেশি।
বিশেষ করে, গ্র্যান্ডি উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক আইনের ‘সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে যেভাবে সংঘাত পরিচালিত হয়’ এবং ‘প্রায়শই মানুষকে আতঙ্কিত করার নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে।’
‘অবশ্যই এটি আরও বাস্তুচ্যুতিতে একটি শক্তিশালী অবদান রাখে।’
গ্র্যান্ডি স্বীকার করেছেন, সেখানে বর্তমানে প্রবণতা কমানোর আশা কম বলে মনে হচ্ছে।
তিনি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে পরিবর্তন না হলে দুর্ভাগ্যবশত আমি দেখতে পাচ্ছি বাস্তুচ্যুতির চিত্রটি ক্রমাগত বাড়তে থাকবে।’
বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে, ২০২৩ সালের শেষে ১১৭.৩ মিলিয়ন বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে ৬৮.৩ মিলিয়ন লোক তাদের নিজের দেশে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
শরণার্থী এবং অন্যান্যের আন্তর্জাতিক সুরক্ষার প্রয়োজনের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪৩.৪ মিলিয়নে বেড়েছে।
সকল শরণার্থী এবং অন্যান্য অভিবাসী ধনী দেশে যায় এমন ধারণার বিরুদ্ধে ইউএনএইচসিআর।
সংস্থাটির মতে, ‘অধিকাংশ শরণার্থীকে তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ৭৫ শতাংশ নি¤œ ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে বসবাস করে যেগুলো একসাথে বিশ্বের আয়ের ২০ শতাংশেরও কম উৎপাদন করে।
২০২৩ সালের পর থেকে সুদানের প্রতিদ্বন্ধী দুই জেনারেলের মধ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়লে ৯০ লাখেরও বেশি লোককে বাস্তুচ্যুত করেছে। ২০২৩ সালের শেষে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ সুদানীকে বাস্তুচ্যুত করেছে। সংখ্যা তখনও বাড়ছিল।
গ্র্যান্ডি প্রতিবেশী চাদে পালিয়ে আসা অনেকের দিকে ইঙ্গিত করেছেন, যারা গত ১৪ মাসে প্রায় ৬ লক্ষ সুদানীকে আশ্রয় দিয়েছে।
গ্রান্ডি এএফপি’কে বলেছেন, ‘প্রতিদিন শত শত মানুষ একটি বিধ্বস্ত দেশ থেকে বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশে পাড়ি দিচ্ছে।’
গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো এবং মিয়ানমারে গত বছর ভয়ঙ্কর লড়াইয়ের কারণে আরও লক্ষাধিক মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
এবং গাজা স্ট্রিপে, জাতিসংঘের অনুমান ১৭ লক্ষ মানুষ যা মোট জনসংখ্যার ৭৫ শতাংশ ৮ মাস আগে শুরু হওয়া যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইউএনএইচসিআর বলেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণ মাত্রায় আগ্রাসনের পর থেকে ইউক্রেনে যুদ্ধের জন্য, জাতিসংঘ অনুমান করেছে, প্রায় সাড়ে ৭ লক্ষ মানুষ গত বছর দেশের অভ্যন্তরে নতুনভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ মোট ৩৭ লক্ষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত লোক নিবন্ধিত হয়েছে।
ইউক্রেনীয় শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার থেকে বেড়ে ৬০ লক্ষে দাঁড়িয়েছে।
সংস্থাটি বলেছে, সিরিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে ১৩ কোটি ৮০ লক্ষ মানুষ জোরপূর্বক দেশের ভিতরে এবং বাইরে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮
October ২০২৬
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
« Sep    
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  


Our Like Page