October 4, 2026, 6:15 am
শিরোনামঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে স্বর্ণের দোকানসহ দুই প্রতিষ্ঠানে চুরি ঝিনাইদহের মহেশপুরে বিজিবির অভিযানে ১,০১৩ বোতল মাদক ও ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার ঝিনাইদহের মহেশপুরে ড্রাগন বাগানে বৈদ্যুতিক ফাঁদে কিশোরের মৃত্যু মাগুরায় বড়শলই ফটকি নদীতে ঐতিহাসিক নৌকা বাইচ দেখতে সংস্কৃতি মন্ত্রী যশোরে বিশেষ অভিযানে গুলি টাকাসহ ৩ জন আটক যশোরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধের মরদেহ দাফন ঘিরে হট্টগোল যশোরে মহিলালীগ নেতৃসহ ৩ জন আটক যশোরে শার্শায় পুলিশের অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী আটক ঝিনাইদহের মহেশপুরের পদ্মপুকুরে পৈতৃক জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাংলাদেশকে ইনভেস্টমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে তুলতে চায় সরকার : প্রধানমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাণিজ্যিকভাবে সাদা ইঁদুর পালনে মিলেছে সাফল্য

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মানুষ শখের বসে কবুতর, ময়না, বিড়াল, খরগোশ, কুকুরসহ নানা জাতের পশু পাখি লালন পালন করছেন। কিন্তু ইঁদুর পালন করছেন এমন মানুষ পাওয়া খুবই দুষ্কর। কারণ ইঁদুরকে ফসলের শত্রু হিসেবে সবাই চিনে ও জানে। প্রতিনিয়ত সময় সুযোগ পেলে উৎপাদিত জমির ফসল, নতুন কিংবা পুরনো মূল্যবান জিনিস ক্ষতি করেছে। আর ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে ইঁদুর নিধনে নেয়া হয়েছে নানা কর্মসূচিও। পাশাপাশি অধিক ইঁদুর নিধনকারীর জন্য রয়েছে পুরস্কারও।
তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে ইঁদুর পালন নিয়ে জন্ম দিয়েছে রীতিমতো অবাক করার মতো ঘটনা। উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে অ্যালবিনো প্রজাতির সাদা ইঁদুর পালন করছেন নাসির উদ্দিন। তিনি ইউটিউব দেখে এই খামার গড়ে তুলেন। তবে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্য ইঁদুর চাষ করে এখন লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। এরইমধ্যে নাসির উদ্দিনের ইঁদুর ক্রয় করতে ঢাকা, চট্রগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় লোকজন আসছেন।
একটি ঘরের ভেতরে বেশ কয়েকটি খাঁচা আর হার্ডবোর্ড দিয়ে তৈরি বাক্স রয়েছে। খামারের ভেতরে প্রবেশ করতেই খাঁচা আর বাক্সের সামনে থাকা ইঁদুরগুলো এদিক-সেদিক দৌড়াদৌড়ি করছে। কোনো কোনো হার্ডবোর্ড বক্সে রয়েছে সদ্য জন্ম দেওয়া ইঁদুর।
নাসির উদ্দিন বলেন, প্রথমে ইউটিউব দেখে ইঁদুর পালনে আমার বেশ আগ্রহ তৈরি হয়। গত ৫ মাস আগে ঢাকার কাঁটাবন এলাকা থেকে পরীক্ষামূলক সুইজারল্যান্ডের অ্যালবিনো প্রজাতির ১০টি ধবধবে সাদা ইঁদুর কিনে বাড়িতে আনা হয়। পর্যায়ক্রমে পালন করা ইঁদুরগুলো বাচ্চা দিতে থাকায় বর্তমানে আমার এই খামারে বড় আকারের ১০০টি ইঁদুর রয়েছে। সেই সঙ্গে ছোট আরও বাচ্চা রয়েছে ৩০টি। খামারে থাকা ইঁদুরগুলোর মধ্যে আরো বেশ কয়েকটি ইঁদুর বাচ্চা দেবে। ইঁদুরগুলোকে খাবার হিসেবে গম, ভুট্রা, ধান, দেওয়া হয়। সকাল ও রাতে দুই বেলা খাবার দিতে হয়।
নাসির উদ্দিন আরও বলেন, এই অ্যালবিনো প্রজাতির ইঁদুর ৪০ দিন পরপর ৬-৮টি বাচ্চা দেয়। বছরে বাচ্চা দেয় ৬-৭ বার। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক স্বল্প সময়ে ১০টি ইঁদুর দিয়ে ছোট বড় মিলিয়ে ১৩০টি ইঁদুর উৎপাদন করলেও আমি আশাবাদী প্রতিমাসে ভালো ইঁদুর উৎপাদন সম্ভব এই খামারে। তিনি বলেন, দেশের মধ্যে এই ইঁদুরের ভালো চাহিদা রয়েছে।
এই ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জুয়েল মজুমদার বলেন, আসলে ইঁদুর পালন লাভজনক একটি ব্যবসা। খরচ কম আয় বেশি। ইঁদুর চাষিকে নাসির উদ্দিনকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।



Our Like Page