এম এ কবীর, ঝিনাইদহ :ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খালকুলা গ্রামে ফাতেমা খাতুন (৫০) নামের এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সুমাইয়া খাতুন বিথী (১৮) নামের এক গৃহবধূ।
আজ শুক্রবার (২৪ মে) ভোর রাতে সদর উপজেলার খালকুলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। সে সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১টি হাসুয়া, ৩টি মোবাইল ফোন ও বেশ কিছু নগদ টাকা।
আটককৃতরা হলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেতাই দূর্গাপুর গ্রামের বাদল মন্ডলের ছেলে সাগর মন্ডল (৩২), একই উপজেলার পশ্চিম ঝিনাইদহের ফেলু সরকারের ছেলে সুশান্ত সরকার ওরফে কুটি (৩০)।
গ্রামবাসীরা জানায়, খালকুলা গ্রামের অবেদ আলী (দুবাই প্রবাসী) ও তার ছেলে মেহেদী হাসান (মালয়েশিয়া প্রবাসী)। প্রবাসী অবেদ আলীর বাড়িতে থাকতেন স্ত্রী ফাতেমা খাতুন ও ছেলের বউ বিথী খাতুন। গত রাতে দুজন দুর্বৃত্ত বাড়ির ওয়াল ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে অবেদ আলীর স্ত্রী ফাতেমাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর তার ছেলের স্ত্রীর গলায়ও ছুরিকাঘাত করে কিছু নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান তারা। পরে ছেলের স্ত্রী বিথী খাতুন পাশের বাড়িতে গিয়ে পড়ে যান। তারপর স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। আহত বিথীকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হলে পরে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর থানার অফিসার ইনর্চাজ মো. শাহীন উদ্দীন জানান, নিহত ও আহত দুই জনকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকা অভিযোগে সাগর মন্ডল ও সুশান্ত সরকার নামের দুজনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ডাকাতিকালে এ ঘটনা ঘটতে পারে।