অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : মার্কিন নৌবাহিনী তার দীর্ঘদিনের প্রটোকল ভেঙে মধ্যপ্রাচ্যে পরমাণু সাবমেরিন মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই পরমাণু সাবমেরিন মোতায়েনের মাধ্যমে শক্তি প্রদর্শনের ঘোষণা এলো।
আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে যে সাবমেরিন মোতায়েন করতে যাচ্ছে তা ১৫৪টি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে সক্ষম। এসব ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভূমিতে হামলা চালানো যায় বলে জানান বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের মুখপাত্র কমোডর টিমোথি হকিন্স। তিনি দাবি করেন, পরমাণু সাবমেরিন মোতায়েনের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমুদ্রের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখা সম্ভব হবে।
হকিন্স জানান, এরই মধ্যে সাবমেরিনটি শুক্রবার সুয়েজ খাল পার হয়েছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের ঠিক কোথায় এই সাবমেরিন মোতায়েন করা হবে তিনি তা প্রকাশ করেননি। সাবমেরিন মোতায়েনের উদ্দেশ্য কী কিংবা কী কারণে এই সাবমেরিন মোতায়েনের প্রয়োজন হলো সে সম্পর্কেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সাবমেরিন মোতায়েনের ব্যাপারে সাধারণত মার্কিন নৌবাহিনী কখনো কোনো তথ্য দেয় না। তবে পঞ্চম নৌবহর পারস্য উপসাগর, লোহিত সাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরের কিছু অংশে কাজ করে থাকে। পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালী দিয়ে যত তেল বহির্বিশ্বে পাঠানো হয় তার শতকরা ২০ ভাগের নজরদারি করে এই পঞ্চম নৌবহর।
গত মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী সিরিয়ায় প্রতিরোধকামী যোদ্ধাদের ওপর বিমান হামলা চালায়। এসব যোদ্ধার প্রতি ইরানের সমর্থন রয়েছে। এ ঘটনায় ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেড়ে গেছে।