October 28, 2026, 4:35 pm
শিরোনামঃ
বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চালকদের আচরণ ও ফিটনেসের কথা বললেই গাত্রদাহ হয় : সড়কমন্ত্রী শুধু একটি নয় ; ভবিষ্যতের সব নির্বাচনই ভালো করার লক্ষ্য ইসির : সিইসি হবিগঞ্জে আইফোনের লোভে বন্ধুকে গলা কেটে হত্যা ; মরদেহ মিললো ডোবায় চট্টগ্রামে ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে কৃষকের দুই হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার খুব শিগগির ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হয়ে উঠবে : ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের সাহায্য ছাড়াই মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সমাধান সম্ভব : ইরানের প্রেসিডেন্ট আইজেনকটের সঙ্গেই জোট বাঁধতে পারে আরব দলগুলো দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ও রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স ; আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এইমাত্রপাওয়াঃ

উত্তর কোরিয়া-জাপান নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে

অনলাইন সীমান্তবাণী ডেস্ক : উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের শক্তিশালী বোন বৃহস্পতিবার বলেছেন, তার দেশ টোকিওর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালাবে। এমনকি জাপানের নেতাকে ভবিষ্যতে পিয়ংইয়ং সফরের সম্ভ্যাব্য আমন্ত্রণের ইঙ্গিতও দিয়েছেন।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা গত সপ্তাহে টোকিও এবং পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে বর্তমান সম্পর্কের পরিবর্তনের জন্য ‘জরুরী প্রয়োজন’ অনুভব করার পরে কিম ইয়ো জং-এর মন্তব্য এসেছে।
কিম সরকারি কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিকে এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমি মনে করি তার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে ইতিবাচক হিসেবে প্রশংসা না করার কোন কারণ নেই। যদি এটি সাহসিকতার সাথে নিজেকে অতীতের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য তার আসল উদ্দেশ্য দ্বারা প্ররোচিত হয়।’
কিম বলেন, ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে উত্তর কোরিয়ার জাপানি নাগরিকদের অপহরণের দীর্ঘকাল ধরে চলমান বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়াসহ টোকিওর পদক্ষেপের উপর নির্ভর করে দু’টি দেশ ‘একসাথে একটি নতুন ভবিষ্যত গড়ে তুলতে পারে’।
তিনি আরো বলেন, ‘দুই দেশের ঘনিষ্ঠ না হওয়ার কোন কারণ থাকবে না এবং জাপানী প্রধানমন্ত্রীর পিয়ংইয়ং সফরের দিন আসতে পারে।’
জাপানে অপহরণ একটি শক্তিশালী এবং আবেগপ্রবন বিষয় হিসেবে রয়ে গেছে।
উত্তর কোরিয়া ২০০২ সালে স্বীকার করেছিল, তারা ১৯৭০ এবং ১৯৮০ এর দশকে ১৩ জন জাপানি লোককে অপহরণ করতে এজেন্ট পাঠিয়েছিল। তাদের জাপানি ভাষা এবং রীতিনীতিতে তার গুপ্তচরদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিল।
তবে জাপানের সন্দেহ হচ্ছে, তাদের অনেক বেশি নাগরিককে অপহরণ করা হয়েছে।
গত বছর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে এক বক্তৃতায় কিশিদা উত্তর কোরিয়ার নেতার সাথে ‘কোন শর্ত ছাড়াই’ দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং বলেছিলেন টোকিও অপহরণসহ সমস্ত সমস্যা সমাধান করতে ইচ্ছুক।
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কোইজুমি ২০০২ সালে পিয়ংইয়ংয়ে একটি যুগান্তকারী সফর করেছিলেন। তিনি কিমের বাবা কিম জং ইলের সাথে দেখা করেছিলেন এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একটি পথ নির্ধারণ করেছিলেন। যেখানে জাপান অর্থনৈতিক সহায়তা দেবে।
এই সফরের ফলে পাঁচজন জাপানি নাগরিক ফিরে আসে এবং কোইজুমি একটি ফলো-আপ ট্রিপ করে। কিন্তু কূটনীতি শীঘ্রই ভেঙ্গে পড়ে টোকিওর উদ্বেগের কারণে। কারণ, উত্তর কোরিয়া অপহরণের শিকারদের বিষয়ে পরিষ্কার কিছু বলছে না।

আজকের বাংলা তারিখ

  • ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬
  • ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩
  • ১৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪৮


Our Like Page