স্টাফ রিপোর্টার : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় পূর্ববিরোধের জেরে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। নিহত জোহরা আক্তার (৪০) ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিহতের পরিবারের বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, নলকূপের পাশে অপবিত্র কাজ করাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
নিহতের স্বামী ফারুক মিয়া অভিযোগ করে জানান, গত ২৮ এপ্রিল বিকেলে জোহরা আক্তার বাড়ির পূর্ব পাশে একটি শ্যালো মেশিনের কাছে গোসল করতে গেলে আগে থেকে ওত পেতে থাকা প্রতিবেশী শহিদুল ইসলাম, তার ছেলে শাহিন ও স্ত্রী শাহিনা খাতুন তার ওপর হামলা চালায়। প্রথমে লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করা হয়, পরে ধারালো কোদাল দিয়ে মাথা ও ঘাড়ে একাধিক কোপ দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় জোহরা আক্তার মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা তাকে মৃত ভেবে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হলে প্রথমে যশোর সদর হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে সোমবার (৪ মে) রাত সাড়ে ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় নওশার আলী ও আলী হোসেনসহ কয়েকজনের নাম জানা গেছে।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানা’র ওসি মেহেদী হাসান জানান, নিহতের স্বামীর লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।